কুমিল্লার মুরাদনগর বাঙ্গরা বাজার থানার কড়ইবাড়ি এলাকায় গণপিটুনিতে তিনজন নিহতের ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লাহসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহত রুবি বেগমের মেয়ে রিক্তা বেগম বাদী হয়ে বাঙ্গরা থানায় মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
শুক্রবার (৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টায় কুমিল্লার মুরাদনগরের আকবপুর এলাকা থেকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন, মো. সবির আহমেদ (৪৮) ও মো. নাজিমউদ্দীন বাবুল (৫৬)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে কড়ইবাড়ি গ্রামে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়। স্থানীয়দের দাবি, নিহত পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তবে, পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড।
নিহতরা হলেন—খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা বেগম ওরফে রুবি (৫৩), তার ছেলে রাসেল মিয়া (৩৫) ও মেয়ে তাসপিয়া আক্তার ওরফে জোনাকি (২৯)। এ ঘটনায় পরিবারের আরেক সদস্য রুমা আক্তার (২৮) গুরুতর আহত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহতদের ময়না তদন্ত শেষে রাতেই কড়ই বাড়িতে কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।








