জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম ও সাবেক আরেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবিরসহ ২১৪ জনের বিরুদ্ধে সাভারের আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।
গত ১৬ জুলাই প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় এ মামলা করা হয়। ওই শিক্ষার্থীর নাম সাজ্জাদুল ইসলাম। তিনি জাবির ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তরের ৪৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর এ মামলা দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুবকর সিদ্দিক। মামলার তদন্তভার ন্যস্ত করা হয়েছে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেনকে।
এজাহার অনুযায়ী সাবেক দুই উপাচার্য ছাড়াও মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন সদ্য সাবেক প্রক্টর ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক আলমগীর কবীর, সাবেক প্রক্টর ও সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ উল হাসান, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবাল, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক বশির আহমেদ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইখতিয়ার উদ্দিন ভূ্ঁইয়া, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সদ্য সাবেক প্রাধ্যক্ষ ও নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইসরাফিল আহমেদ রঙ্গন, সদ্য সাবেক নিরাপত্তা শাখার প্রধান সুদীপ্ত শাহিন, শিক্ষা শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার রাজিব চক্রবর্তী, ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাহিদুর রহমান খান, জাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান সোহেল ও সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটনসহ অজ্ঞাত ১৫০/২০০ জন।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশে পরিকল্পনা গ্রহণ, নির্দেশ দেওয়া, মারধর, গুরুতর জখম, সশস্ত্র হামলাসহ ককটেল ও পেট্রলবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।
আসামিদের হামলায় মামলার বাদীসহ কোটা আন্দোলনকারীদের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জন রক্তাক্তভাবে আহত হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।








