জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, এই সরকারের প্রতি আস্থা আছে জাতীয় পার্টির। এই সরকারের কাছে প্রত্যাশা সুষ্ঠু নির্বাচন। আমি মনে করি, সেই সক্ষমতা প্রধান উপদেষ্টার আছে।
রোববার ১ সেপ্টেম্বর তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ কোটার নামে জনগণের মাঝে বৈষম্য তৈরি করেছিল। সবক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি করেছিল। জাতীয় পার্টি কোটা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে।
এসময় জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে ১০টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হল: ১) নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে গঠিত হতে হবে ২) আধুনিক নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় পার্টি সবসময় কথা বলে আসছে। এর সংস্কার বেশি গুরুত্বপূর্ণ ৩) জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেয়ার আহ্বান। এতে রাজনৈতিক দলগুলো এই সরকারের সিস্টেম বুঝতে পারবে ৪) বেশকিছু বিতর্কিত আইন সংশোধন করতে হবে।
এছাড়াও, ৫) যে ব্যাক্তি প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি আর দলীয় প্রধান হতে পারবেন না। এটাকে জোর দিতে হবে ৬) দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। প্রেসিডেন্ট পদকে শক্তিশালী করতে হবে। প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে ৭) পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলযোগ্য। তা না হলে নতুন সংবিধান বানাতে হবে 8) গণহত্যায় প্রাণ হারানোদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গুম, খুনের বিচার করতে হবে ৯) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করতে, পুলিশকে সক্রিয় করতে হবে। জনগণের সাধারণ নিরাপত্তা, সস্তি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এই সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ ১০) জাতির স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী রোডম্যাপ তৈরি করবে। জাতীয় পার্টি নির্বাচনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় বেধে দেবেনা। দেশের ভালোর জন্য এই সরকারকে যেকোনো সহায়তা করবে জাতীয় পার্টি।








