ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাৎ করে বিআরটিসির পরিবহনগুলো ধূমপানমুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। এসময় বিআরটিসির চেয়ারম্যান তাদের সকল পরিবহন এবং কাউন্টারসমূহ ধূমপানমুক্ত করার জন্য দাপ্তরিকভাবে আদেশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামের সাথে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।
এসময় তাজুল ইসলাম ‘চালক, পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রী সাধারণ সকলের জন্য বাসে ধূমপান নিষিদ্ধ’ এই লেখা সম্বলিত স্টিকার প্রতিটি বাসে প্রদর্শন করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যাত্রীসহ এবং যাত্রী ছাড়া- কোন অবস্থাতেই বিআরটিসি বাসের অভ্যন্তরে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হবে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিবৃন্দ প্রস্তাবিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনে যে সকল সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল-পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা, বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির ‘কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা’ কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা, বিড়ি-সিগারেটের খুচরা শলাকা/ মোড়কবিহীন তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা এবং তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট/ কৌটায় সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার বৃদ্ধি করা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা করেন।
এসময় তারা তামাকের কারণে সংঘটিত স্বাস্থ্য ক্ষতি, অর্থনৈতিক ক্ষতি, আর্থ-সামাজিক অবক্ষয় এবং প্রস্তাবিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের সংশোধনীর খসড়া নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। প্রস্তাবিত খসড়ার সমর্থনে তার অবস্থান থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময়কালে বিআরটিসির চেয়ারম্যন মো. তাজুল ইসলাম, পরিচালক (প্রশাসন ও অপারেশন) এস এম কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক, বিআরটিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।







