সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন। ধস দেখা দিয়েছে কাজিপুরের মেঘাই এলাকার নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধে। তবে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ভাঙ্গনরোধে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনীর একটি দলও।
সোমবার (১৬ আগস্ট) এলাকাবাসীর সাথে কথা বলতে গেলে তারা জানায়, নদীতে ক্যানেল সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণেই এই ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যেই ভাঙ্গন রোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর সাথে ভাঙ্গনরোধে জরুরি কাজে অংশ নিয়েছে সেনাবাহিনীর একটি দল। সুতরাং, আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।
এলাকাবাসী বলছে, ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে কাজিপুরের মেঘাই এলাকার নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধের ৮০ মিটার এলাকা। শনিবার রাত থেকে হঠাৎ করেই নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধে এই ধ্বস দেখা দেয়।

২০১৫ সালে যমুনা নদীর ভাঙ্গন রক্ষায় এই এলাকায় বাস্তবায়ন করা হয় নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মান প্রকল্প। বর্তমানে নদীর পূর্বপাড়ে চর জেগে ওঠায় নদীর পানি সরাসরি আঘাত হানছে পশ্চিম পাড়ে তীররক্ষা বাঁধে।
শনিবার পানির প্রবল স্রোত ও ঢেউ এ ধ্বস দেখা দেয় বাধঁ এলাকায়। রোববার ভোর পর্যন্ত বাঁধের অন্তত ৭০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে ধ্বসে যায়। খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালি ভর্তি জিও ব্যাগ নিক্ষেপ করে ভাঙ্গন রোধ করে। এ কাজে সহায়তা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল। নদীতে ক্যানেল সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তলন করার কারণে এই ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
জরুরিভাবে ভাঙ্গন রোধ করার পাশাপাশি এই এলাকায় একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ না হলে হুমকির মুখে পড়বে বাঁধের পশ্চিম পাড়ের কয়েকশত পরিবার ও স্কুল, মাদ্রসা, থানা, খাদ্যগুদামসহ বিভিন্ন স্থাপনা।








