ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ শুরুর সপ্তাহ খানিক আগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল ব্রাইটন ছেড়ে চেলসিতে আসেন জোয়াও পেদ্রো। প্রতিযোগিতাটির সেমিফাইনালে ব্রাজিলীয় ক্লাব ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে প্রথমবার শুরুর একাদশে নামেন এই ফরোয়ার্ড। নেমেই বাজিমাত। দুই গোল করে দলকে নিয়ে গেলেন শিরোপা নির্ধারণীর মঞ্চে। তবে শৈশবের ক্লাব ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে গোল করে ভঙ্গি করলেন ক্ষমা চাওয়ার। আসর থেকে ব্রাজিলীয় ক্লাবটিকে বিদায় করে মাঠের বাইরেও তার কণ্ঠে দুঃখপ্রকাশের সুর।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে ফ্লুমিনেন্সের সঙ্গে ২-০তে জয় পেয়েছে চেলসি। ম্যাচে দুটি গোলই করেন পেদ্রো। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চে চোখধাঁধানো দুই গোল হয়েছে পেদ্রোর পেশাদারিত্বের জয়ও।
গোলের পর পেদ্রোকে দেখা যায়নি কোনো উল্লাস করতে। দুবারই দু হাত ওপরে তুলে আত্মসমপর্ণের ভঙ্গি করেন। তাকে ঘিরে উল্লাস করেন সতীর্থরা। কিন্তু তিনি ছিলেন প্রায় নির্লিপ্ত, মুখে ছিল না হাসিও। এক পর্যায়ে হাতজোড় করে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিও করেন তিনি।
ম্যাচের পর উদযাপন না করার কারণ জানিয়ে ২৩ বর্ষী ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘তারা (ফ্লুমিনেন্স) আমাকে সবকিছু দিয়েছে। গোটা বিশ্বের সামনে আমাকে তুলে ধরেছে তারা। আজ আমি এখানে আসতে পেরেছি, কারণ তারা আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছে। আমি খুবই কৃতজ্ঞ। তবে এটা তো ফুটবল, আমাকে পেশাদার হতে হবে। তাদের প্রতি আমি দুঃখপ্রকাশ করছি, নিজের কাজটা আমাকে করতেই হতো।’
গত ২ জুলাই তাকে আট বছরের চুক্তিতে দলে নেয় চেলসি। দু দিন পরই নতুন ক্লাবের হয়ে তার অভিষেক হয় ক্লাব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে। বদলি নেমে সেদিন অল্পের জন্য গোলের দেখা পাননি। সেমি-ফাইনালে শুরুর একাদশে জায়গা পেয়ে সেই আক্ষেপ আর রাখলেন না।








