বিপিএলে হতশ্রী দশা কাটছে সিলেট স্ট্রাইকার্সের। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে হার দিয়ে শুরু করেছিল আসর। পরে হেরেছে রংপুর রাইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে। দ্বিতীয় লেগে চট্টগ্রামের মুখোমুখি হয়ে টানা চতুর্থ ম্যাচেও হেরে বসেছে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল। তানজিদ তামিমের দুর্দান্ত ফিফটিতে আসরে চতুর্থ জয়ের দেখা পেল শুভাগত হোমের দল।
সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাশরাফী। নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৩৭ রানের সংগ্রহ পায় দলটি। জবাবে ১৭.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে চট্টগ্রাম।
আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সিলেটের। ৮ রানে ফিরে যান দুই ওপেনার মোহাম্মদ মিঠুন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া দলের হাল ধরেন হ্যারি টেক্টর ও জাকির হাসান। ৫৭ রানের জুটি গড়েন দুজনে। ১১তম ওভারে জাকির ফিরলে জুটি ভাঙে। চারটি চার ও এক ছক্কায় ২৬ বলে ৩১ রান করেন জাকির।
১৬.২ ওভারে ১০৭ রানে টেক্টর ফিরে যান। দুটি চার ও এক ছক্কায় আইরিশ ব্যাটার করে যান ৪২ বলে ৪৫ রান। পরে রায়ান বার্ল ও আরিফুল হক ইনিংস শেষ করেন। ২৯ বলে ৩৪ রানে বার্ল ও ১২ বলে ১৭ রানে আরিফুল অপরাজিত থাকেন।
চট্টগ্রামের হয়ে বিলাল খান তিনটি এবং নিহাদুজ্জামান নেন একটি উইকেট।
জবাবে শুরুটা ভালো হয়নি চট্টগ্রামের। ২৩ রানে ওপেনার আভিস্কা ফের্নান্দোর উইকেট হারায় তারা। ১২ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান লঙ্কান ওপেনার। পরে তানজিদ হাসান তামিম ও টম ব্রুস ৮৯ রানের জুটি গড়নে। চট্টগ্রামকে জয়ের ভিত গড়ে ১১২ রানে ফিরে যান তামিম। তিন চার ও দুই ছক্কায় ৪০ বলে ৫০ রান করেন টাইগার ওপেনার।
শাহাদাত হোসেন দীপুকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ব্রুস। ফিফটি পেয়েছেন কিউই উইকেটরক্ষক-ব্যাটারও। ৪৪ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কার মার। এক চারে ১১ বলে ১৩ রান করেন দীপু।
সিলেটের হয়ে একটি করে উইকেট নেন হ্যারি টেক্টর ও তানজিম হাসান সাকিব।








