ছুটির মেজাজ শুরু হতেই প্রেক্ষাগৃহে সানি দেওলের ‘গর্জন’ আরও তীব্র হলো। প্রথম দিনে ৩০ কোটির রেকর্ড ওপেনিংয়ের পর, দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ‘বর্ডার ২’ বক্স অফিসে সংগ্রহ করল প্রায় ৩৩ কোটি টাকা। ফলে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় ছবিটির মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৬৩ কোটি টাকা (নেট)।
বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় দিনে ছবির আয় প্রথম দিনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণত বড় বাজেটের ছবিগুলো দ্বিতীয় দিনে কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে, কিন্তু ‘বর্ডার ২’-এর ক্ষেত্রে ঘটেছে উল্টোটা। দিল্লির মাল্টিপ্লেক্স থেকে শুরু করে পাঞ্জাব ও বিহারের সিঙ্গেল স্ক্রিন সর্বত্রই শনিবার ‘হাউসফুল’ বোর্ড দেখা গিয়েছে।
এদিকে মুক্তির প্রায় ৫১ দিন পার হয়ে গেলেও রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর’ ছবিটির অবস্থাও খুব একটা খারাপ নয়, কিন্তু সানির এই দানবীয় সাফল্যের কাছে তা অনেকটাই ঢাকা পড়ে গিয়েছে। সানি দেওলের ছবির অগ্রিম বুকিং এতটাই তুঙ্গে যে, আগামী রবিবার (২৫ জানুয়ারি) অর্থাৎ আজ ছবিটির আয় ৪০ কোটির গণ্ডি ছুঁতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে প্রথম উইকেন্ডেই ‘বর্ডার ২’ ১০০ কোটির মাইলফলক পার করে ফেলবে।
সানি-ই এখন বলিউডের ‘মসিহা’:
‘গদর ২’-এর পর আবার একবার সানি দেওল প্রমাণ করলেন যে, মাটির কাছাকাছি গল্প আর দেশপ্রেমের সংমিশ্রণ ঘটাতে পারলে দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে ফেরানো অসম্ভব নয়। বিশেষ করে ছবির শুরুতে সানির সেই বিশেষ ক্রেডিট লাইন ‘ধর্মেন্দ্র জি কা বেটা’ দর্শকদের মধ্যে এক গভীর আবেগের জন্ম দিয়েছে, যা ছবির ব্যবসার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
তিন দিনের সম্ভাব্য লক্ষ্য
যদি রবিবারের গতিপ্রকৃতি একই থাকে, তবে প্রথম তিন দিনেই ১০০ কোটির আশেপাশে থাকবে ছবির আয়। ২০২৬ সালের প্রথম ব্লকবাস্টার হিসেবে এটি ইতিমধ্যেই নিজের জায়গা পাকা করে নিয়েছে।
‘বর্ডার’ ছবিতে মূলত সেনাবাহিনীর বীরত্ব দেখেছিলাম। কিন্তু ‘বর্ডার ২’-এ এর পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবিতে ভারতীয় স্থলসেনা, বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনী এই তিন শক্তির যৌথ অভিযানের গল্প বলা হয়েছে। ছবিটির বড় প্রাপ্তি হলো এর কাস্টিং। সানি দেওল এখানে এক অভিজ্ঞ পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় রয়েছেন। এছাড়া দেখা মিলছে বরুণ ধাওয়ান, আহান শেঠি ও দিসজিৎ দোসাঞ্জের মত তারকাদের।








