কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদীতে নৌ-দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ৮ জনের মধ্যে দু-জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন ডুবুরিরা। ১২ ডুবরির দীর্ঘ ১১ ঘণ্টার চেষ্টায় ওই ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার (২৩ মার্চ) সকাল সোয়া ৮টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের পাঁচজন, বিআইডব্লিউটিএ’র পাঁচজন ও স্থানীয় দু-জন ডুবুরি এ উদ্ধারকাজে অংশ নেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শনিবারের মতো উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।
উদ্ধার দু-জন হলন- পুলিশ সদস্য সোহেল রানার স্ত্রী মৌসুমি ও আরাধ্য নামে এক কিশোরী।
এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৬জন। তারা হলেন- পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা (৩৫) ও তার ছেলে রায়সুল (৫)। এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন রুপা দে (৩০), তার ভাইয়ের মেয়ে আরাধ্য (১২) ও ভগ্নিপতি বেলন দে (৩৮) ও নরসিংদীর রায়পুরা এলাকার কলেজ শিক্ষার্থী আনিকা আক্তার (১৮)।
বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক রেজাউল করিম জানান, সকাল সোয়া ৮টা থেকে অভিযান শুরু হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলে উদ্ধার অভিযান। শনিবারের উদ্ধার অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে। রোববার সকাল ৭ টায় নিখোঁজদের সন্ধানে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।
জানা গেছে, শুক্রবার ২২ মার্চ সন্ধ্যা ৬ টায় দিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদীতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে বালুবাহী বাল্কহেড ধাক্কায় যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে এ দুর্ঘটনা ঘটে।








