এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
আসন্ন ২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে দুই দফা বৈঠক হলেও এখনও সমাধান আসেনি। এরই মধ্যে খবর আসে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলে স্থলাভিষিক্ত হবে স্কটল্যান্ড। তবে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেনি আইসিসি।
এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে বিবিসি। ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ, এখনও এই অবস্থানে অনড় বিসিবি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর, আইসিসিও নাকি জানিয়েছে সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না তারা। বাংলাদেশ খেলতে না গেলে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা স্কটল্যান্ডই পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জায়গা। তবে দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে এ নিয়ে এখনও কোনো আলোচনা করেনি বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কটিশ ক্রিকেট কর্মকর্তারা আগ বাড়িয়ে বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কোনো কথা বলবেন না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রতি সম্মান দেখিয়েই তারা এই অবস্থান নিয়েছেন। তবে স্কটিশ খেলোয়াড়রা বর্তমানে অনুশীলনে আছেন এবং ডাক পেলে বিশ্বকাপে অংশ নিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তারা।
গত গ্রীষ্মে ইউরোপীয় কোয়ালিফায়ারে চতুর্থ হওয়ায় সরাসরি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে পারেনি স্কটল্যান্ড। নেদারল্যান্ডস ও ইতালি সেই অঞ্চল থেকে সুযোগ পায়।
এদিকে, বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে বা বহিষ্কৃত হয়, তাহলে তার বদলি কিভাবে নির্ধারণ হবে, সেই মানদণ্ড নিয়ে আইসিসির কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে বিবিসি। এর আগে ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ে সরে দাঁড়ালে স্কটল্যান্ড সুযোগ পেয়েছিল, তবে বর্তমানে আঞ্চলিক কোয়ালিফায়ারের কারণে সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ আইসিসির বিবেচনার ওপর নির্ভর করছে। বর্তমানে টি-টুয়েন্টি র্যাংকিংয়ে ১৪তম স্থানে রয়েছে স্কটল্যান্ড।
বিসিবি ইতিমধ্যে আইসিসিকে অনুরোধ করেছে তাদের গ্রুপ পরিবর্তন করে আয়ারল্যান্ডের জায়গায় দেওয়ার জন্য, যাতে তারা শ্রীলঙ্কায় ম্যাচগুলো খেলতে পারে। তবে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইসিসি তাদের আশ্বস্ত করেছে যে আয়ারল্যান্ডের সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। তবুও তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।
গত শনিবার ঢাকায় আইসিসি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসেছিল বিসিবি। বৈঠকে বিসিবি বাংলাদেশ দলের ভারতে ভ্রমণ এবং খেলার নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা পুনরায় উল্লেখ করেছে। ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে অনড় থেকে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কায় খেলার কথা আবারও বলেছে।








