প্রথম দুই টি-টুয়েন্টিতে হেরে সিরিজ আগেই হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় শেষ টি-টুয়েন্টিতে পারভেজ ইমন ও তানজিদ তামিমের দুরন্ত শুরুর পর পাকিস্তানকে ১৯৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল টিম টাইগার্স। হোয়াওয়াটওয়াশ এড়ানোর মিশনে তাও যথেষ্ট হয়নি। মোহাম্মদ হারিসের সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে হেরেছে টিম টাইগার্স।
ক্যারিয়ারের আগে ১৬ টি-টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছিলেন হারিস। ১৭তম ম্যাচে নেমে প্রথম পঞ্চাশ স্পর্শ করেন। সেটাকে সেঞ্চুরিতে টেনে নেন পাকিস্তান উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৪৫ বলে সেঞ্চুরি ছোঁয়া ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৬টি ছক্কার মার। ৪৬ বলে ১০৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন হারিস।
লাহোরে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের সংগ্রহ গড়ে। জবাবে নেমে ১৭.২ ওভারে জয়ের বন্দরে নোঙর করে পাকিস্তান।
পাকিস্তানকে রানতাড়ায় পাঠিয়ে প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন মিরাজ। শাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান। সাইম আইয়ুব ও মোহাম্মদ হারিস মিলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন আরও ৯২ রান। দলীয় ১০০ রানে সাইম ফিরে যান। দুটি চার ও চারটি ছক্কায় করেন ২৯ বলে ৪৫ রান।
১৩৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিক দলটি। দুটি করে চারও ছক্কায় ১৩ বলে ২৬ রান করে ফেরেন হাসান নাওয়াজ। পরে সালমান আগাকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন হারিস। ৭ ছক্কা ও ৮ চারে ৪৬ বলে ১০৭ রান করেন হারিস। ১২ বলে ১৫ রান করেন সালমান।
টাইগার বোলারদের মধ্যে মিরাজ ২টি এবং তানজিম সাকিব একটি উইকেট নেন।
এর আগে ব্যাটে নেমে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন ইমন ও তানজিদ। উদ্বোধনীতে ১১০ রানের জুটি গড়েন দুজনে। টি-টুয়েন্টিতে উদ্বোধনীতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটি এটি। আগেরটি ছিল রনি তালুকদার ও লিটন দাসের ১২৪ রান। ২০২৩ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী জুটিতে এই সংগ্রহ গড়েছিলেন দুজনে।
১০.৪ ওভারে তানজিদ ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩২ বলে ৪২ রান করেন এই ওপেনার। পরের ওভারে ফিরে যান ইমন। ৭টি চার ও চারটি ছক্কায় করে ৩৪ বলে ৬৬ রান। এরপর লিটন-হৃদয় জুটি যোগ করেন আরও ৪৯ রান। ১৬.৩ ওভারে দলীয় ১৬২ রানে লিটন ফেরেন ১৮ বলে ২২ রান করে।
১৭১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শামীম ফিরে যান ৮ রান করে। ১ রান যোগ করেই হৃদয় ফেরেন। দুটি চার ও এক ছক্কায় হৃদয় করেন ১৮ বলে ২৫ রান। ১৯.১ ওভারে ১৮৪ রানে মিরাজ ফিরে যান ১ রান করে। পরে জাকের ও তানজিম মিলে স্কোর পৌঁছান ১৯৬ রানে। জাকের ৯ বলে ১৫ এবং তানজিম ৩ বলে ৮ রান করেন।
পাকিস্তান বোলারদের মধ্যে আব্বাস আফ্রিদি ও হাসান আলি দুটি করে উইকেট নেন।








