সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ছয়ে নেমে ১১১ বলে ১১১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৮১ রানে ৬ ব্যাটারকে হারানোর পর ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে টাইগারদের হাল ধরেন অভিজ্ঞ তারকা। ব্যাটিং অর্ডারে তাকে নিচের দিকে নামানোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিজবাহ উল হক।
বিশ্বআসরের স্কোয়াডে ডাক পেলেও মাহমুদউল্লাহ কোন পজিশনে ব্যাট করতে নামবেন সেটা নিয়ে ছিল ধোঁয়াশা। এক পর্যায়ে টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনায় ৩৮ বর্ষী তারকাকে আটেও নামতে হয় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।
স্পোর্টস অনুষ্ঠানে মিজবাহ বলেছেন সেটি নিয়েই, ‘অনেক দারুণ খেলেছে। ২০১৫ বিশ্বকাপেও মাহমুদউল্লাহ দুটি সেঞ্চুরি করেছিল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ এক সেঞ্চুরি পেয়েছিল। আজ পেসের বিপক্ষে আধিপত্য দেখিয়েছে বেশ। এটি বিশ্বকাপে তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। সবকটিই ভালো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে করেছে। আগেও বলেছি, বাংলাদেশ মাহমুদউল্লাহকে অপচয় করছে।’
মাহমুদউল্লাহকে ফিনিশার হিসেবে খেলানোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। টপ ও মিডল অর্ডার ব্যাটারদের নিয়মিত ব্যর্থতার পরও তাকে অর্ডারে উপরে না ওঠানোর কোনো যুক্তি খুঁজে পাননি মিসবাহ।
‘সাতে নামার আগে ম্যাচ প্রায় শেষ হয়ে যায়। এমন দারুণ ফর্মে থাকলে দল খারাপ খেললে আমার মতে তাকে আরও উপরে ব্যবহার করা উচিৎ। বুঝতে পারছি, তাকে ফিনিশারের ভূমিকা দিয়েছেন। কিন্তু দলের প্রয়োজন হলে কেন সেটা পরিবর্তন করবেন না? যেভাবে আজকে শট খেলেছেন, পিকআপ শট, এক্সট্রা কাভারের উপর ছক্কা। মাহমুদউল্লাহ পরিপূর্ণ একজন ব্যাটসম্যান, আর অভিজ্ঞও বটে।’
মাহমুদউল্লাহর অবশ্য বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া নিয়েই জেগেছিল সংশয়। এশিয়া কাপের স্কোয়াডে না থাকায় অনেকেই তার শেষ দেখে ফেলেছিলেন। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফিরে পারফর্ম করে বিশ্বকাপ জায়গা করে নেন সাইলেন্ট কিলার। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি দিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজের তৃতীয় এবং আইসিসি ইভেন্টে চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ২০১৫ বিশ্বকাপে করেছিলেন যার দুটি, পরপর দুম্যাচে।








