পরিসংখ্যান, র্যাঙ্কিং কিংবা ঘরের মাঠের দর্শক শক্তি যে কোনও বিবেচনায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ইন্দোনেশিয়া। মাঠে নামার আগে ভালো লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছিল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। বিফলে যায়নি সেটি। কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র’নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ।
র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের থেকে ১৯ ধাপ এগিয়ে ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে ১৮৮ ইন্দোনেশিয়ার সেখানে ইন্দোনেশিয়া ১৬৯ তম। তাছাড়া ১৯৮৫ সালের পর জয় নেই ইন্দোনেশিয়া বিপক্ষে। বাড়তি পাওনা ঘরের মাঠের বিশাল দর্শক সমর্থন। রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলা ছাড়া ভিন্ন কিছু করার ছিল না জামাল-জিকোদের।
ম্যাচে কঠিন পরীক্ষা দিয়েছে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। পাস মার্ক তুলেছেন গোলরক্ষক জিকো। ম্যাচের বেশিরভাগ সময় জুড়েই ইন্দোনেশিয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল বলের দখল। তবে সামনে গিয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিয়ে সুযোগ মিস করছে ইন্দোনেশিয়া। গোলশূন্য ড্র’য়ে শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নেশায় থাকা ইন্দোনেশিয়া আক্রমণে গতি আনলেও বাংলাদেশের রক্ষাপ্রাচীর ভেদ করতে পারেনি। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে ডি বক্সের ঠিক বাইরে ইন্দোনেশিয়ান ফুটবলারকে ফাউল করে বসে বাংলাদেশ। প্রথম শট বাধা প্রাপ্ত হলেও ফিরতি বলে গোল করার সুযোগ ছিল রাফলির। গোল রক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিয়ে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি।
৬৪ মিনিটে লিলিপালির হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে বাংলাদেশকে রক্ষা করেন জিকো। ৭২ মিনিটে লিলিপালির হেড জালের ঠিকানা খুঁজে পেলেও তাতে বাধ সাধে রেফারি। অফ-সাইডে বাতিল হয় গোল। বাকি সময় চেষ্টা চালিয়েও আর জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি ইন্দোনেশিয়া।








