রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের পেসাররা দাপট দেখিয়েছেন। হাসান মাহমুদ এবং নাহিদ রানার তোপে ধসে গেছে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইউনিট। ১৭২ রানে থেমেছে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংস। ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন হাসান। অনন্য সাফল্যের কৃতিত্ব সতীর্থদের দিচ্ছেন টাইগার তারকা।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন হাসান মাহমুদ। অনুভূতি জানাতে সতীর্থদের কৃতিত্ব দিলেন। বললেন, ‘আসলে আমার সতীর্থদের কৃতিত্ব দেয়া উচিত, যারা প্রতিটি বলেই অনেক পরিশ্রম করে।’
‘প্ল্যান আসলে খুবই সিম্পল ছিল। নতুন বল হাতে নিয়ে চেষ্টা করতে হয়েছে লাইন অনুযায়ী বল করে যাওয়া, যে রকমটা অধিনায়ক এবং দল চেয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি নিজেদের প্ল্যানে বল করে উইকেট তোলার চেষ্টা করে যাওয়া।’
বাংলাদেশের বোলাররা পাকিস্তান ব্যাটারদের চেপে ধরলে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আগা সালমান বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। সপ্তম উইকেটে দুজনে ৫৫ রান তোলেন। দুই ব্যাটার বাংলাদেশকে কিছুটা দুশ্চিন্তায় ফেলেছিলেন। রিজওয়ানকে ফিরিয়ে স্বস্তি এনে দেন হাসান।
সেই জুটি প্রসঙ্গে হাসান বললেন, ‘জুটি হলে দলের মধ্যে একটা ধাঁধা সৃষ্টি হয়, চেষ্টা করছিলাম এতকিছু চিন্তা না করে কীভাবে এক জায়গায় বল করে রান আটকানো যায়। দুপাশ থেকেই বাউন্ডারি সেভ করা, সিঙ্গেল-ডাবলস আটকানো, ভালো বল কন্টিনিউ করা যায়। এই পরিকল্পনা ছিল আমাদের।’
‘আমার ভূমিকার কথা বললে, যখনই কোনো পেসারকে বল দেয়া হয় তখন প্ল্যান থাকে উইকেট নেয়ার মতো বল কীভাবে করা যায়। যত বল করতে পারবে তত সফল হতে পারবে। তাসকিন ভাই শুরু করেছিল দিনের প্রথম উইকেট দিয়ে। এরপর রানা দুর্দান্ত বল করেছে। হয়ত মোমেন্টামটা আমাদের দিকে শিফট করেছে। এরপর আমাকে বল দেয়া হল। আমিও প্রসেসে ছিলাম এজন্যই উইকেটটা পেলাম আরকি।’
উইকেট শিকার করা হাসান দলের সাফল্যে বেশ খুশি। এমন সাফল্য দেশ ও দলের জন্য গর্বের বিষয় বললেন। বললেন, ‘৫ উইকেট পাওয়া অনেক আনন্দের, দেশ এবং দলের জন্য গর্বের। একটি ম্যাচে আমরা জিতলাম। এখন আরও একটি ম্যাচে ভালো করতে পারছি। এখানেও জেতার সুযোগ রয়েছে। অনেক খুশি আমরা।’







