যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করে বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলি অব ইউএসএ।
গত ২১ ডিসেম্বর এক আনন্দঘন পরিবেশে এই অনুষ্ঠান হয় জ্যমাইকার স্টার কাবার রেষ্টুরেন্ট এ।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তারপর দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে সকলে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জলি আহমেদ ও শান্তুনু সাজ্জাদ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সদস্যবৃন্দ,কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার-পরিজন নিয়ে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, জ্যমাইকা ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ট্রাষ্টি বোড মেম্বার ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লীডার এট লার্জ অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী এবং সংগঠনের সভাপতি শামীম হাসান, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসলাম কলিম।
উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ অ্যাসেম্বলি অব ইউএসএর সভাপতি শামীম হাসান বলেন, বিজয়ের আনন্দ প্রবাসেও এই প্রজন্মের সাথে উপভোগ করতে চাই। আমরা চাই ঐক্যবদ্ধভাবে, ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে আমাদের কমিউনিটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
অ্যাসেম্বলি অব ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসলাম কলিম বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, আনন্দ-বিনোদন, এবং বাঙালি সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তাদের শেকড়কে আঁকড়ে ধরে রাখা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. আশিকুজ্জামান তপু,শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান রফিক, মো. জয়নাল আবেদীন,মো. হাবিবুর রহমান, মিয়া ফয়েজ আহমেদ,এ কে এম হক খোকন, মো. বেলায়েত হোসেন, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. জাহিদুর রহমান, মো. শরিফুল ইসলাম, আল আমিন হাওলাদার, মোহাম্মদ জিসান আহমেদ, মো. মমিন হোসেন। ফারুক হোসেন মজুমদার, ফখরুল ইসলাম মজনু, রবিউল আলম, ফারুক হোসেন পাটোয়ারী, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ আতিকউল্লাহ, মোঃ কবির হোসেন ও সোহানুর রহমান সোহান। গেষ্ট হিসেবে ছিলেন নাজির উদ্দিন পাঠওয়ারী ,ফারুক হোসেন মজুমদার ,আসাদ বারী,আবু নাসের সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এসেমবলি অব ইউএসএ কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং এটি একটি অরাজনৈতিক, পেশাজীবী সংগঠন। ২০২৪ সালে নিউইয়র্কে যাত্রা শুরু করে ‘বাংলাদেশ এসেম্বলি অব ইউএসএ’। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এই সংগঠন প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিদের স্বার্থ রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য- সবার সঙ্গে সবার যোগাযোগ, সম্পর্কের গভীরতা বৃদ্ধি, সুখে দুঃখে হাত বাড়িয়ে দেওয়া, প্রিয় মাতৃভূমির শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং শিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।








