এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
নেপালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দলের সাথে থাকলেও প্রথম দুই ম্যাচে নামার সুযোগ পাননি সাফের আসর সেরা বাংলাদেশের গোলরক্ষক মোহাম্মদ আসিফ। সুযোগ আগে বদলি হিসেবে নামার, সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে সেই সুযোগ কাজে লাগান তিনি। সেই ম্যাচের পারফরম্যান্সই তাকে আসরের সেরা গোলরক্ষকে পরিণত করেছে।
সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের ৬৮ মিনিটে আসিফ মাঠে নামার সুযোগ পান। চোট পাওয়ায় নিয়মিত গোলরক্ষক ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান শ্রাবণের বদলি হিসেবে নামেন। সেখান থেকেই শুরু হয় আসিফের সাফল্যের যাত্রা। টাইব্রেকারে বাংলাদেশকে জয় এনে দেয়ার পর ফাইনালেও দারুণ করেন।
আসর সেরা গোলরক্ষক হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আসিফ বলেছেন, ‘আমার মা-বাবার দোয়া, আত্মীয় স্বজন এবং দেশবাসীর দোয়ায় বয়সভিত্তিক পর্যায়ে, আমি আসলে আসরের সেরা গোলকিপার হতে পারছি।’
সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে লড়াইয়ে ১-১ গোলে সমতার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকে। ভারতের গাংতের নেয়া প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন আসিফ। পিয়াস আহমেদ নোভা প্রথম গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন। আকাশ তিরকির নেয়া শেষ শটটিও ঠেকিয়ে দিয়ে সেমিফাইনালের নায়ক বনে যান বদলি গোলরক্ষক আসিফ।
ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে অবশ্য বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়নি আসিফকে। প্রথমার্ধের শুরুতে কিছুটা চাপ থাকলেও কোনো বিপদ ঘটতে দেননি তরুণ তারকা। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে নেপালের নেয়া শটের গতিবিধি বুঝতে না পেরে গোলবার ছেড়ে বেরিয়ে আসেন, সেখান থেকে একটি গোল শোধ করে নেপাল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি দলটির, বাংলাদেশের কাছে হারে ৪-১ ব্যবধানে। সেমিফাইনালের ক্ষিপ্রগতির বাংলাদেশি ‘মার্টিনেজ’ হয়ে যান আসর সেরা গোলরক্ষক।








