সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের সঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো আফগানদের বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশের অ্যাওয়ে সিরিজের আয়োজন হচ্ছে শারজায়। বাংলাদেশের চেয়ে যে মাঠে নবী-রশিদদের খেলার অভিজ্ঞতা বেশি। সেদিক থেকে পিচের সুবিধায় টাইগারদের চেয়ে এগিয়ে আফগানরাই।
বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ হবে যথাক্রমে ৯ ও ১১ নভেম্বর। সবগুলো ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায়।
২৯ বছরের মধ্যে প্রথমবার শারজায় ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলবে বাংলাদেশ। সবশেষ ১৯৯৫ সালের এশিয়া কাপে খেলেছিল এই মাঠে। তবে এই ভেন্যুতে ২০২২ সালে টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে এশিয়া কাপ খেলেছে লাল-সবুজ দল। যেখানে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হারের স্মৃতি নিয়ে নামতে হবে শান্তবাহিনীকে।
পাকিস্তানের মাঠে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর ভারতের মাটিতে টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি সিরিজে হেরেছে বাংলাদেশ। পরে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরে টেস্ট সিরিজে হেরে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের আত্মবিশ্বাস এখন তলানিতেই থাকার কথা!
এদিকে আফগানিস্তান সিরিজ থেকে সরে এসেছেন সাকিব আল হাসান, অসুস্থতার কারণে নেই লিটন দাস এবং কাঁধের চোটে বাদ পড়েছেন তানজিম হাসান। দলে আছেন নাহিদ রানা, জাকির হাসান এবং নাসুম আহমেদ। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান এবং শরিফুল ইসলামের মতো পেসারও আছেন স্কোয়াডে।
সাউথ আফ্রিকা সিরিজের মাঝে অধিনায়কত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন বলে খবরে এসেছিলেন শান্ত। এ নিয়ে ক্রিকেটাঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছিল। প্রোটিয়া সিরিজের কদিন আগে প্রধান কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহকে বরখাস্ত করেছে বিসিবি। নতুন কোচ হয়ে দায়িত্বে এসেছেন ক্যারিবীয় ফিল সিমন্স। চলতি এলোমেলো ও বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পরিস্থিতি কাটিয়ে শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার।







