চলচ্চিত্রকে সম্প্রসারিত করতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় নয়, প্রত্যেক ইউনিয়নের নাগরিকও যেন এই সুবিধা পান সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭৫’র পর দেশের মানুষ অপসংস্কৃতিতে জড়িয়ে পড়েছিল। ২২ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর চলচ্চিত্র নিয়ে নতুন করে কাজ করেছে।
মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২২ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা চাই না সিনেমার পাইরেসি হোক, অশ্লীল সিনেমা তৈরি হোক। আমাদের অনেক পুরাতন সিনেমা আছে যেগুলোর ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ। আমরা ফিল্ম আর্কাইভ ভবন নির্মাণ করে দিয়েছি। এর মাধ্যমে পুরাতন সিনেমাগুলো পুনরুদ্ধার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এখন মানুষকে দেখানোর সুযোগ এসেছে। এগুলো দেখলে মানুষ অনেক তথ্য জানতে পারবে।
এসময় প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত সকলকে সর্বজনীন পেনশনের সাথে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি বলেন, একটি দেশের সমাজকে চলচ্চিত্র আনন্দ দিতে পারে, প্রেরণা দিতে পারে এবং জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবির খন্দকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু।








