নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশাচালক মো. রফিকুল ইসলামকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনার চারদিন পর অটোরিকশা ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছা উদ্ধার করেছে পুলিশ ও র্যাব-১১।
রোববার (৩১ আগস্ট) এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, সুবর্ণচর উপজেলার চর মহিউদ্দিন গ্রামের মনির হোসেন ও একই গ্রামের মো. সেলিমের ছেলে লিটন।
পুলিশ জানায়, নিহত অটোরিকশাচালক রফিকুল ইসলাম কোম্পানীগঞ্জ সিরাজপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বীন বেপারি বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। ২-৩ মাস আগে তিনি একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কেনেন। গত ২৫ আগস্ট সোমবার বাড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। এরপর রাতেও খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তার মোবাইলে কল করে বন্ধ পায়। পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার নুর ইসলাম মিয়ার বাড়ির পাশে স্থানীয়রা তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। তার গলায় দড়ির দাগ ও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহৃ ছিল।
পুলিশ আরও জানায়, শনিবার ৩০ আগস্ট রাত ২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের কামাল হোসেনের গ্যারেজ থেকে মূলহোতা মনিরকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মনির স্বীকার করে সোমবার রাতে কোমল পানীয় স্পিডের সাথে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘটনাস্থলে আসামি মো. লিটনের সহযোগিতায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। একপর্যায়ে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়। আসামির দেওয়া তথ্যমতে চরজব্বর থানা এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা ও হত্যায় ব্যবহৃত গামছা উদ্ধার করা হয়।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া আরও বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়। আসামিদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।








