বক্সিংডে টেস্টে দর্শক সমাগমের রেকর্ড হয়েছে বলছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বক্সিংডে টেস্ট দেখতে ৯৩,৪৪৩ জন দর্শক মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের মাঠে এসেছে যা এমসিজিতে সর্বোচ্চ দর্শকের রেকর্ড। ২০১৫ সালে এমসিজিতে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখতে রেকর্ড ৯৩,০১৩ দর্শক মাঠে এসেছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল বক্সিংডে টেস্ট।
ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন ইংলিশ পেসার জশ টাং। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম ইংলিশ পেসার হিসেবে ৫ উইকেটের দেখা পেলেন টাং। ২৭ বছর আগে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ডিন হেডলি।
বক্সিংডে টেস্টে টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বেন স্টোকস। সকালে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং বিপর্যয়ের শুরুটা করেন গাস অ্যাটকিনসন। এরপর দায়িত্ব নেন টাং, স্বাগতিকরা অলআউট হয় মাত্র ১৫২ রানে। ব্যাটিংয়ে নেমে অজিদের মতই বিপর্যয়ে পড়ে ইংলিশরা। মাইকেল নেসেরের তোপে ১১০ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে অল্প রানের পরও অস্ট্রেলিয়া লিড পায় ৪২ রানে।
চতুর্থ টেস্টে এমসিজিতে ৪৬ ওভার ব্যাট করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া, করেছে ৪৫.২ ওভার। ইংল্যান্ড সেটাও করতে পারেনি। দলটি অলআউট হয়েছে মাত্র ২৯.৫ ওভারে। পুরো দিনের দুই ইনিংসে দুদল মিলে ৯০ ওভারের মধ্যে ৭৫.১ ওভার ব্যাট করেছে। দিনে তৃতীয় ইনিংসে ব্যাটে নামবে অস্ট্রেলিয়া।
প্রথম ইনিংসে ব্যাট করা অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান এসেছে ডানহাতি পেসার মাইকেল নেসের থেকে। তিনি সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে আউট হয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন উসমান খাজা। এছাড়া অ্যালেক্স কেয়ারি ২০ ও ক্যামেরন গ্রিন ১৭ রান করলে অজিদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫২ রান।

জশ টাং ১১.২ ওভার বল করে ২টি মেডেন ওভারে ৪৫ রানে ৫ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নিয়েছেন গাস অ্যাটকিনসন। এছাড়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন ব্রাইডন কার্স ও বেন স্টোকস।
অজিদের অল্প রানে গুড়িয়ে দেয়ার পর ইংলিশরাও বিপর্যয়ে পড়ে। প্রাথমিক সামাল দেন হ্যারি ব্রুক, তার থেকে আসে ৪১ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন অ্যাটকিনসন। বেন স্টোকসের ১৬ রান ছাড়া আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। বাকি ৮ ব্যাটার আসা-যাওয়ার মাঝে ছিলেন। নেসের নেন ৪ উইকেট। স্কট বোল্যান্ড নেন ৩ উইকেট। এছাড়া মিচেল স্টার্কের ২ উইকেটের পর গ্রিন নেন একটি।








