মিয়ানমারের আটক গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির ছোট ছেলে কিম অ্যারিস চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে তার মায়ের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের সামরিক জান্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে তার মাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য।
রোববার (৫ অক্টোবর) সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
দীর্ঘদিন নীরব থাকা ৪৮ বছর বয়সী কিম অ্যারিস জীবনের বেশিরভাগ সময় মিডিয়ার আলোচনার বাইরে ছিলেন। তবে, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর, মা অং সান সু চির কারাবন্দি অবস্থার অবনতির কারণে তিনি বিশ্ববাসীর কাছে বিষয়টি তুলে ধরতে শুরু করেন।

অ্যারিস বলেন, “আমি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে তার (অং সান সু চি) মুক্তির আহ্বান জানাতে এবং জান্তার উপর চাপ সৃষ্টির জন্য আরও কিছু করার জন্য আবেদন করছি… যাতে যাদের মুক্তি দেওয়া উচিত তাদের মুক্তি নিশ্চিত করা যায়।”
তার মতে, মিয়ানমারে সামরিক জান্তার ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব রয়েছে বেইজিংয়ের, তাই তাদেরই উচিত সু চি ও অন্যান্য রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য কার্যকর ভূমিকা নেওয়া।
১৯৮৯ সাল থেকে মোট ১৯ বছর ধরে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন অং সান সু চি। প্রথমে তিনি গৃহবন্দী ছিলেন, বর্তমানে কারাগারের একাকী কক্ষে বন্দি আছেন। ৮০ বছর বয়সী এই নেত্রী ১৯৯১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, যা তার দুই ছেলে তার পক্ষ থেকে গ্রহণ করেছিলেন।
সু চির দীর্ঘ বন্দিজীবন ও মিয়ানমারে চলমান রাজনৈতিক দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে তার ছেলের এই আহ্বান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।







