কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কাশেম গ্রুপ এবং একই এলাকার বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এরই জেরে সকালে লাউ কুড়ার মাঠে উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের ২১ জন রয়েছেন। গুরুতর আহত আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়া (৩০)-কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া আরও পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঈদের আগ থেকেই কাশেম চেয়ারম্যানের লোকজন দেশীয় অস্ত্র মজুদ করছিল এবং ঈদের নামাজের পর হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় আগের রাত থেকেই হুমকি-ধমকি চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে নজির গ্রুপের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ রয়েছে, কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গত বছরের ৫ আগস্টের পর অন্তত তিনটি মামলা রয়েছে। তিনি মাঝে মধ্যে ইতালিতে অবস্থান করেন এবং সেখানে তার নাগরিকত্বও রয়েছে।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, খবর পেয়ে কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ি ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


