এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ক্রিকেট ম্যাচে সময় নষ্ট বন্ধ করতে গতবছর ডিসেম্বরে ‘স্টপ ক্লক’ পদ্ধতি চালু করে আইসিসি। সেসময় পরীক্ষামূলকভাবে নিয়মটি চালু হলেও গত মার্চে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানায়, টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিয়মটি প্রয়োগ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি স্থায়ী করা হবে। সেই নিয়মের প্রয়োগও হল। প্রথম দল হিসেবে ‘স্টপ ক্লক’ পদ্ধতিতে শাস্তি পেল যুক্তরাষ্ট্র।
নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে ভারতের কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হওয়ার ম্যাচে নিজেদের ভুলের কারণে এমন শাস্তির মুখোমুখি হয়েছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দেশটি। ম্যাচে টসে জিতে যুক্তরাষ্ট্রকে আগে ব্যাটে পাঠায় ভারত। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১১০ রানে থামে স্বাগতিক দল। জবাবে নেমে ১০ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে ভারত। সঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখে গ্রুপ ‘এ’ থেকে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে রোহিত শর্মার দল।
ভারতের ইনিংসে নতুন ওভার শুরু করতে তিনবার ১ মিনিটের বেশি সময় নষ্ট করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। দুবার সতর্ক করার পরও ১৫তম ওভারে তৃতীয়বার ভুলটি করে বসে তারা। তিনবার একই ভুল করায় ৫ রান জরিমানা করা হয় স্বাগতিকদের। অর্থাৎ, ভারতের স্কোরে যোগ হয় বাড়তি ৫ রান। ১৬তম ওভারে খেলা গড়ানোর আগে ভারতের দরকার ছিল ৩০ বলে ৩৫ রান। পাঁচ রান যোগ হওয়ায় তা নেমে আসে ৩০ রানে। পরে আর বেশি সময় নেয়নি ভারত, ১৮.২ ওভারে জয় নিশ্চিত করে।
‘স্টপ ক্লক’-এর নিয়ম অনুযায়ী, ফিল্ডিং দল প্রত্যেক ওভারের মাঝে ৬০ সেকেন্ড সময় পাবে। এই সময় গণনা শেষের আগে ফিল্ডিং সাজিয়ে তাদের পরের ওভার শুরু করতে হবে। এই ৬০ সেকেন্ড গণনা একটি টি-টুয়েন্টি বা ওয়ানডের প্রতিটি ওভারের মধ্যে ঘটবে, যা লঙ্ঘনের জন্য থাকছে শাস্তি। প্রতিবার এই নিয়ম ভাঙার জন্য আছে শাস্তির ব্যবস্থা। মাঠের আম্পায়ার ফিল্ডিং দলকে দুবার সতর্ক করবেন। তৃতীয়বার নিয়ম ভাঙলে ৫ রান জরিমানা হবে। তৃতীয়বার থেকে যতবার এই নিয়ম ভাঙা হবে, প্রতিবারই ৫ রান প্রতিপক্ষের স্কোরবোর্ডে যোগ হবে।
ইলেকট্রনিক স্ক্রিনে ৬০ সেকেন্ডের টাইমার চালু করবেন তৃতীয় আম্পায়ার। তবে ব্যাটার, ডিআরএস বা অন্যকোনো অনিবার্য কারণে পরবর্তী ওভার শুরু করতে দেরি হলে ফিল্ড আম্পায়ার চূড়ান্ত সময় নির্ধারণ করবেন।








