বাবা হাবিদুল আকন্দ ও দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত লন্ড্রি কর্মচারি মো. সবুজ মিয়া।
গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর ইউনিয়নের ছোট ভগবানপুর গ্রামে পারিবারিক গোরস্থানে আর রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টায় তার দাফন সম্পন্ন হয়।
বাড়ির পাশে খোলামাঠে স্বজন, গ্রামবাসি ও আশেপাশ থেকে আসা হাজারো মানুষ জানাজায় অংশ নেয়।
এর আগে সবুজের কফিন বহনকারি হেলিকপ্টারটি গাইবান্ধা সদরের তুলশীঘাটের হ্যালিপ্যাডে অবতরণ করে। সেখান থেকে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে তার কফিনটি গ্রামের বাড়িতে আনা হয়।
সবুজের মরদেহ আসার সংবাদে সবুজের বাড়িতে সকাল থেকে মানুষ জমায়েত হতে থাকে। এসময় সবুজের মা ছকিনা বেগম ও স্ত্রী নুপুর আক্তার আহাজারি করতে থাকেন। এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
সবুজ মিয়া ২০১০ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং গত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশ থেকে সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যান।
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক ড্রোন হামলায় দায়িত্বরত সবুজসহ ৬ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শহীদ হন এবং ৮ জন শান্তিরক্ষী আহত হন।








