ইসরায়েল-হামাস সংঘর্ষের কারণে অন্তত এক লাখ ৩৫ হাজার শিশু অপুষ্টির কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। এর মাঝে গাজায় আরও অন্তত ২০ হাজার শিশু জন্ম নিয়েছে বলেও সংস্থা সূত্রে জানা গেছে।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) আনাদোলু নিউজ এজেন্সি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ইউনিসেফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতি ১০ মিনিটে একটি শিশু জন্মগ্রহণে করে।
ইউনিসেফের মুখপাত্র টেস ইনগ্রাম জেনেভায় একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, গাজা উপত্যকায় গর্ভবতী মহিলা এবং নবজাতকের সংখ্যা পরিস্থিতির বাইরে। তিনি বলেন, দ্রুত এবং অবিলম্বে এসকল নারী এবং শিশুদের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
ইনগ্রাম বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ইতোমধ্যে শিশু এবং মাতৃমৃত্যুর হার অনেক বেড়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। মায়েদের জন্মের আগে, জন্মের সময় এবং পরে পর্যাপ্ত চিকিৎসা যত্ন, পুষ্টি এবং সুরক্ষার প্রয়োজন। যার কিছুই এরা পাচ্ছে না, এক্ষেত্রে অকল্পনীয় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, যুদ্ধের ট্রমা নবজাতকদেরও সরাসরি প্রভাবিত করে। যার ফলে অপুষ্টির উচ্চ হার, উন্নয়নমূলক সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য জটিলতা দেখা দেয়। এছাড়াও গর্ভবতী এবং বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরা এবং তাদের শিশুরা ‘অমানবিক পরিস্থিতিতে, অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে’ বসবাস করছে।
২০ হাজার নবজাতকের মৃত্যুহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থার কারণে শিশুমৃত্যুর হার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘তবে এটা নিশ্চিতে বলা যায়, এই মাটিতে মানবিক সংকটের পাশাপাশি বোমা ও বুলেটের কারণে শিশুরা এখন মারা যাচ্ছে।








