শুক্রবার রাতে প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাস লিখেছে লেস্টার সিটি। তারা ৯-০ গোলে সাউদাম্পটনকে উড়িয়ে দিয়েছে তাদেরই ঘরের মাঠে সেন্ট মেরি’স স্টেডিয়ামে। জেমি ভার্ডি ও আয়াজ পেরেজের জোড়া হ্যাটট্রিকে ব্রেন্ডন রজার্সের দল লিগ টেবিলে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে। ১০ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুলের পরেই তারা।
শুধু ৯-০ গোলের রেকর্ড হয়নি। এই ম্যাচ দেখেছে একাধিক রেকর্ড। লেস্টার সিটির বিশাল জয় শুধুই প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অ্যাওয়ে দল হিসাবে সবচেয়ে বড় জয় নয়, ১৩১ বছরের ইতিহাসে ইংলিশ ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় যুগ্মভাবে সবচেয়ে বড় জয়ও।
২০১৯-২০ মৌসুমে ১০ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে লেস্টার দুইনম্বরে উঠে এসেছে। ঘটনাক্রমে ২০১৫-১৬ মৌসুমে লেস্টার যখন লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখনো তারা প্রথম ১০ ম্যাচের পর ২০ পয়েন্ট তুলেছিল। সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার একক মৌসুমে এটাই তাদের দ্বিতীয় বড় পয়েন্ট অর্জন।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৯৯৫ সালের মে-তে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ৯-০ গোলে হারিয়েছিল ইপসউইচকে। কিন্তু তারা ঘরের মাঠে জিতেছিল। আর লেস্টারের জয় অ্যাওয়ে ম্যাচে।
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে লেস্টার দ্বিতীয় দল, যাদের জোড়া ফুটবলার জোড়া হ্যাট্রটিক করল এক ম্যাচে। এর আগে ২০০৩ সালের মে-তে প্রথম দল হিসাবে আর্সেনালের জার্মেইন পেনান্ত ও রবার্ট পাইরেস এক ম্যাচে জোড়া হ্যাটটিক করেছিলেন। আর্সেনালও হারিয়েছিল এই সাউদাম্পটনকে।
আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার আয়াজ পেরেজ আগের হ্যাটট্রিকটি করেছিলেন এই সাউদাম্পটনের বিরুদ্ধেই। প্রিমিয়ার লিগের প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে তিনি একই দলের বিপক্ষে দুবার হ্যাটট্রিক করলেন। ২০১২ সালে লিভারপুলের ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ নরউইচ সিটির বিরুদ্ধে এই কীর্তি গড়েছিলেন।
ম্যানচেস্টার সিটির পর লেস্টার দ্বিতীয় দল যারা ইপিএলে অ্যাওয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৫-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। এর আগে সিটিজেনরা ২০১০ সালের এপ্রিলে বার্নলির বিরুদ্ধে এই নজির গড়েছিল।







