পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদের সরকারি ছুটি শুরু হতে আরও কয়েকদিন বাকি থাকলেও ট্রেন ও বাসে করে বাড়ি যাচ্ছেন বহু যাত্রী। ঈদের আগ দিয়ে মহাসড়কে যানজট এড়াতে অনেকে আগেভাবে পরিবার পাঠিয়ে দিচ্ছেন, অনেকে আবার আগে ছুটি নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাত থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন বাস ও ট্রেন স্টেশনে মানুষের ভিড় দেখা যায়। তবে আজ (২৪ জুন) সকাল থেকে আগাম টিকিট কাটা ট্রেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস দিয়ে শুরু হয় মানুষের ঈদযাত্রা, সকাল ছয়টার পর ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা ছেড়ে যায়। এরপর নীলসাগর এক্সপ্রেস ঘরমুখো মানুষকে নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়। কমলাপুর রেলস্টেশন ও বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে টিকিট ছাড়া যাতে কেউ স্টেশনে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য প্রবেশ পথে ব্যারিকেড ও প্রত্যেক যাত্রীকে আলাদাভাবে চেক করা হচ্ছে। যাদের টিকিট আছে, তাদেরকে দেয়া হচ্ছে স্টেশনের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি।
রাজধানীর মহাখালি, গাবতলী ও সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ডেও দেখা গেছে যাত্রীদের ভিড়। এছাড়া কল্যাণপুর, ফকিরাপুলেও যাত্রীর চাপ বেড়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কে এখন পর্যন্ত যানবাহনের চাপ অনেকটাই স্বাভাবিক বলে স্থানীয় প্রতিনিধিদের সূত্রে জানা গেছে। তবে বিকেল ও সন্ধ্যার পরে পদ্মাসেতু টোল প্লাজায় হালকা যানজট এবং বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর সিরাজগঞ্জপ্রান্তে মাঝারি ধরণের যানজট দেখা দিয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসন ঈদযাত্রা নিরাপদ ও সাবলীল করতে নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। কোরবানির পশুর হাট যাতে মহাসড়কে বসতে না পারে এবং পশু বহনকারী গাড়িগুলোকে মহাসড়কে বিনাকারণে থামানোর বিষয়েও সতর্কতা জারি করেছে।
আগামী ২৭ জুন থেকে ঈদের সরকারি ছুটি শুরু হবে। সেহিসেবে ২৬ জুন থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।







