এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাকবাশিয়ায় যৌথবাহিনীর টহলের সময় ৩ জন মোটরসাইকেল আরোহীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেন (২২) নামক একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এলাকাবাসীরা জানান, অসুস্থ্য মায়ের ওষুধ কেনার জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্য সাড়ে ৭টার দিকে হেলমেট ছাড়াই মোটরসাইকেলে কাকবাশিয়া বাজারে যান ইসমাইলসহ তার আরও দুইজন। ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার পথে উক্ত বাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে পড়লে ৩জনকেই মারপিট করার অভিযোগ স্থানীয় এলাকাবাসীর।
এসময় ঘাড়ে আঘাত পেয়ে মাটিতে পড়ে যান ইসমাইল। তাৎক্ষণিক তাকে স্থানীয় ডা. পলাশ এর কাছে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, ইসমাইল হোসেনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শত শত এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিচারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।
স্থানীয় আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস জানান, নিহত ইসমাইলের মৃত্যুর পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে শান্ত করি। তিনি আরও জানান, আমি পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছি।
সাতক্ষীরার আশাশুনি সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন সাজিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
শুক্রবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিহত ইসমাইল হোসেনের ময়না তদন্ত শেষে দুপুরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
ময়না তদন্ত বোর্ডে থাকা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এর ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. নাসির উদ্দীন সেলফোনে জানান, নিহতের মরদেহ পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে দেখা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নমুনাও সংগ্রহ করে ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো প্রক্রিয়াধীন। রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে।
শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন হয় নিহত ইসমাইল হোসেনের।
জানাযায় অংশ নেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক ডা. শহিদুল আলম এবং জামায়াত ইসলামের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।








