বিশিষ্ট জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী বলেছেন, ধান, বেগুন, ঢেরস ও গমকে বহুব্রিহী জাতের ধানে রূপান্তর করেছি। অন্যান্য ফসলকে কমপক্ষে পঞ্চব্রিহী করতে না পারলেও তৃ-ব্রিহী ও চর্তুব্রিহী করার কাজে আমরা নিয়োজিত রয়েছি।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) মৌলভীবাজার জেলার রাজরনগর উপজেলার কাউয়াদিঘী হাওরে বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা ড. আবেদ বহুব্রিহী বা পঞ্চব্রিহী বুঝাতে গিয়ে বলেন, পঞ্চব্রিহী যে প্রসেসটা পূর্ণতা লাভ করেছে। আমরা একশ’র বেশি ‘ভেরাইটি’ তৈরি করেছি। সব কিছু এখনো আমার গ্রামে গবেষণায় রয়ে গেছে। এটাকে আমরা সারাদেশে ছড়িয়ে দেবো। সেই আয়োজনটি আমরা করছি, যাতে বীজ অনেক বেশি বৃদ্ধি হয়। তিনি বলেন, বীজগুলোর আলাদা ‘এগ্রোনমি’ রয়েছে। এর পরিচর্যা লাগবে। এটা সম্পূর্ণ নতুন একটা ‘এগ্রোনমি’। ড. আবেদ বলেন, এই ‘এগ্রোনমি’ ৮৭ হাজার গ্রামে ছড়িয়ে দিতে হবে। একটা প্রাইভেট মডেলে সরকারের কোন সহযোগিতা না নিয়ে যাতে করা যায়, সেই চেষ্টায় আমি নিয়োজিত রয়েছি।
কাউয়াদিঘী হাওর রক্ষা আন্দোলন’র আহবায়ক আসম সালেহ সোহেলের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব এম খছরু চৌধুরী’র সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এমএ আহাদ, অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, তাহমিদ আনাম চৌধুরী, সায়মন রূম্পা, বদরুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, মোঃ মোকাম্মিল হক, মো. আবুল হাসনাত, বিপ্লব ধর।
ড. আবেদ চৌধুরী আরও বলেন, আমার আবিস্কার বহুব্রিহী বা পঞ্চব্রিহী বীজ মাঠে এসেছে। তিনি বলেন, বৃহত্তর কুলাউড়াকে টার্গেট করে আমরা কাজ করছি।
তিনি কিভাবে বীজকে পঞ্চব্রিহী’র ফর্মুলায় আনলেন এক প্রশ্নের জবাবে ড. আবেদ বলেন, ধান কাটার পর ধানের অবশিষ্ট অংশ থেকে নতুন ধান গাছ গজায় বা বেড়ে উঠে। এভাবে যে ধান গাছগুলো ভালভাবে বেড়ে উঠে, সেগুলো আমরা আলাদাভাবে সনাক্ত করছি। তারপর একটাকে আরেকটার সাথে সংকরায়ন বা ‘ক্রস’ করেছি। এভাবে প্রতিদিনই আমার প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছি।
খাদ্য সংকটের বিশ্বে বাংলাদেশকে খাদ্য সংকট মোকাবিলায় নিমগ্ন ড.আবেদ। আগামীর বিশ্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে দিতে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন দেশপ্রেমিক এই বিজ্ঞানী।







