এএফসি এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-১৭ বাছাইয়ে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ। দুবার এগিয়ে গিয়েও শেষদিকে পিছিয়ে পড়ে ৩-২ গোলে হেরেছে সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যরা। গ্রুপপর্বে শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান।
বাছাইপর্বে ১০ গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো সরাসরি মূলপর্বে খেলবে। রানার্সআপ ১০টি দলের মধ্যে ৫টি খেলবে মূলপর্বে এবং সেটি নির্ধারিত হবে পয়েন্টে এগিয়ে থাকার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের রানার্সআপ ভাগ্য ঝুলে গেছে কম্বোডিয়া ও ফিলিপিন্সের ম্যাচের উপর।
‘বি’ গ্রুপে শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নেমে শুরু থেকে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ফলাফল আসতে খুব বেশি দেরি হয়নি, ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোল করেন মিডফিল্ডার মিঠু চৌধুরী, ১-০ গোলে এগিয়ে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
গোল শোধে মরিয়া আফগানরা ৩০ মিনিটে সমতা টানে। গোল করেন মিডফিল্ডার ইয়াসির সাফি। ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচে ফেরে তারা। পরে আরও কিছু আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে যেতে থাকে খেলা।
প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা হয় এক মিনিট, সেসময় কর্নার পায় বাংলাদেশ। কর্নার থেকে ছোট বক্সে ফেলা বল আফগানিস্তান ক্লিয়ার করতে গেলে ডি-বক্সের বাইরে চলে যায়। সেখান থেকে দূরপাল্লার শটে বল ডিফ্লেকশনে রাইট উইংয়ে বল যায় ফরোয়ার্ড মুর্শেদ আলীর কাছে। বাঁ-পায়ের শটে গোল করে বাংলাদেশকে ২-১এ এগিয়ে দেন তিনি। এরপর বিরতির বাঁশি বাজান রেফারি।
বিরতির পর ৫৪ মিনিটে আরও একটি সুযোগ আসে বাংলাদেশের কাছে, থ্রো থেকে বল ডি-বক্সে পেয়ে হেড করলে আফগানিস্তানের গোলকিপার সেটি ঠেকিয়ে দেন। ৬১ মিনিটে আফগানিস্তানের প্রায় গোল ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশ গোলকিপার আলিফ রহমান। পরের মিনিটে বাংলাদেশ আরও একটি আক্রমণ গড়ে। পরের মিনিট, ৬৩ মিনিটে বদলি নামা মিলাদ নুরি গোল করে আফগানদের সমতায় ফেরান, স্কোর দাঁড়ায় ২-২।
৬৯ মিনিটে ম্যাচে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় আফগানিস্তান। তাদের বাড়ানো বল ডি বক্সের মধ্যে ক্লিয়ার করতে ভুল করেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা, বদলি নামা আর্শাদ আহমাদি গোল করতে ভুল করেননি, ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় আফগানরা।
গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক কম্বোডিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ফিলিপিন্সের বিপক্ষে ১-০তে জয় তুলেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ম্যাচে ম্যাকাওকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে অবস্থান শক্তিশালী করেছিল বাংলাদেশ।








