অ্যাডিলেড থেকে: কারেন রোল্টন ওভাল মাঠে বাংলাদেশ দলের ঐচ্ছিক অনুশীলনে হাজির হলেন জেমি সিডন্সের ছেলে জনা সিডন্স। বাবা সেন্টার উইকেটে তখন সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে কাজ করছিলেন, ছেলে বাউন্ডারি লাইনে বল কুড়িয়ে দিচ্ছিলেন।
৯ বছর বয়সী জনা পেস বোলিং করেন। যদিও সুযোগ হয়নি টাইগার নেটে বোলিং করার।
বাবা জেমি সিডন্স ব্যাটিং কোচ হলেও ছেলে জনা সিডন্স ভালোবাসেন পেস বোলিং। পৃথিবীর সব পেসারকেই নাকি তার পছন্দ। চ্যানেল আই অনলাইনকে জানালেন, বাংলাদেশের তাসকিন আহমেদকে খুব পছন্দ করেন আর অস্ট্রেলিয়ার মিশেল স্টার্ককে। জনা জানান বাংলাদেশে আসার ইচ্ছের কথাও, ‘আমি কখনো যাইনি বাংলাদেশে, তবে যেতে চাই।’
মাঠ থেকে জেমি সিডন্সের বাড়ির দূরত্ব ১০ মিনিটের গাড়ির পথ। ঐচ্ছিক অনুশীলন থাকায় ছেলেকেও নিয়ে আসেন তিনি।
৫৮ বছর বয়সী জেমি আগেও বাংলাদেশের কোচ ছিলেন। সন্তানদের কাছে গল্প করেন বাংলাদেশ নিয়ে। ফেসবুকেও নানা ভিডিও, ছবি পোস্ট করেন। তাতে সন্তানদেরও আগ্রহ জন্মেছে বাংলাদেশ নিয়ে।
জেমির বড় মেয়ে একবার বাংলাদেশে এসেছিলেন। বয়স তখন মোটে ৮-৯ মাস। কিছুই মনে নেই। এখন থাকেন ম্যানচেষ্টারে।
অস্ট্রেলিয়ায় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ রোল্টন ওভাল মাঠেই ক্যাম্প করতে চেয়েছিল। সিডন্সই ঠিক করেছিলেন তার বাড়ির কাছের ভেন্যুটি। আইসিসির অফিসিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচ দুটির ভেন্যু ব্রিসবেন হওয়ায় পরে পরিকল্পনা বদলাতে হয় বিসিবিকে।
সাউথ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিসিবি কর্তাদের মাঝে আলোচনার পথ তৈরি করতে চাচ্ছেন জেমি। সব ঠিক থাকলে রোববার বাংলাদেশের ম্যাচের দিনই হয়ত বসবে দুই পক্ষ।








