সম্প্রতি অভিনেতা ফয়সাল খান তার পরিবারের বিরুদ্ধে এক বছর ধরে তাকে ঘরবন্দি রাখার এবং জোরপূর্বক মানসিক চিকিৎসা করানোর অভিযোগ তুলে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছেন।
ফয়সাল দাবি করেছেন, তার পরিবারের সদস্যরা তাকে মানসিক রোগী বলে চিহ্নিত করে জেজে হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে ২০ দিন আটক রাখেন।
এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর আমির খানসহ খান পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা একটি সম্মিলিত বিবৃতি প্রকাশ করে পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তারা বলছেন, ফয়সালের যত্ন ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত পরিবারের সম্মিলিত সম্মতি এবং চিকিৎসকদের পরামর্শে নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ফয়সাল সংক্রান্ত প্রতিটি সিদ্ধান্ত আমরা পরিবার হিসেবে একসঙ্গে এবং চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে নিই। সবকিছুই হয়েছে ভালোবাসা, সহানুভূতি ও তার মানসিক ও আবেগগত সুস্থতার কথা চিন্তা করে।”
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এসব বিষয়কে ব্যক্তিগত রাখতে চেয়েছেন এবং এটি নিয়ে অপ্রয়োজনীয় আলোচনার মাধ্যমে কেউ যেন তাদের মর্যাদা বা গোপনীয়তা লঙ্ঘন না করে সে জন্য মিডিয়াকে অনুরোধ করেছেন।
তারা বলেন,“আমরা মিডিয়া ও জনগণের কাছে আবেদন করছি, এই ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে সংবেদনশীলতা বজায় রাখুন এবং যন্ত্রণাদায়ক সময়কে গসিপ বা অযথা বিতর্কে রূপান্তরিত করবেন না।”
বিবৃতিটি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য যেমন রিনা দত্তা, জুনায়েদ খান, ইরা খান, ফারহাত দত্তা, রাজীব দত্ত, কিরণ রাও, সন্তোষ হেগড়ে, মন্সুর খান, নুৎসাত খান, ইমরান খান, টিনা ফনসেসকা, জাইন মেরি খান, পাবলো খান- স্বাক্ষর করেছেন, যা তাদের ঐক্য প্রকাশ করে।
ফয়সাল খান, যিনি একসময় একজন প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতা ছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় জর্জরিত। তার সাম্প্রতিক অভিযোগগুলো পরিবারের মানসিক অসুস্থতার মোকাবেলায় যে জটিলতা ও চ্যালেঞ্জগুলো থাকে তা তুলে ধরেছে। –বলিউড হাঙ্গামা








