আসন্ন ঈদে পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি বাস্তবায়ন ও কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রস্তুতি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৩০ মে সচিবালয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।
মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, সারাদেশে ঈদে এক কোটি ৩৯ লাখ পশু কোরবানি হয়। এরমধ্যে ঢাকায় হয় ২৫ লাখ। কোরবানির সময় সারাদেশে প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়।
তিনি বলেন, নিদিষ্ট স্থানে ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু কোরবানি করতে হবে। কোরবানির পশু জবাইয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য সরাতে হবে। গাবতলী ব্রিজের ওপর চামড়ার বাজার বসানো যাবে না। এতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সংকট হবে। এছাড়া, এবার পশুর হাটে অনলাইনে হাসিল ও কেনাকাটার ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সড়ক ও মহাসড়কের পাশে কোরবানির পশুর হাট বসানো যাবে না। কেউ এই নির্দেশনা অমান্য করলে মোবাইল কোটের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন স্থানীয় সরকার।
সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন,রাজধানীতে কোরবানি উপলক্ষে ১০ লাখ ৪০ হাজার পলিব্যাগ দেয়া হবে কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই পলিব্যাগ বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।








