শেরপুর জেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের বন্যায় প্রাথমিক হিসাবে কৃষি ও মৎস্য খাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এর মধ্যে কৃষিখাতে ৫২৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং মৎস্যখাতে ৭০ কোটি ৩০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ঢলের পানি নামায় নকলা গৌরদ্ধার ইউনিয়নের ৬টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে পানিবৃদ্ধির ফলে নকলা উপজেলার চন্দ্রকোন, চরঅষ্টধর ও পাঠাকাটা ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র ভেসে ওঠতে শুরু করেছে।
অনেকেই বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তবে বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
সেনাবাহিনী, র্যাব ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুর্গত এই এলাকাগুলোতে খাদ্য ও পানি সরবরাহে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।








