পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৬ তম বর্ষপূর্তি আজ। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পাহাড়ে দীর্ঘ ২ দশকের রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি হয়।
পার্বত্য শান্তি চুক্তির দুই যুগেরও বেশি সময় পার হয়েছে। ২৬ বছর আগে আজকের দিনে পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন তৎকালীন চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, অন্যদিকে জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা।
চুক্তি সইয়ের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালের ১০ই ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অস্ত্র জমা দেন শান্তিবাহিনীর সদস্যরা। পরে সরকারের পক্ষ থেকে অস্ত্রধারীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। তবে চুক্তির পর সশস্ত্র সংঘাত অনেকটা কমলেও শান্তিচুক্তির পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
চুক্তির বেশিরভাগ ধারা বাস্তবায়িত হলেও সরকারের ধীরে চলো নীতি রয়েছে বলে মনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা ও সাবেক এমপি ঊষাতন তালুকদার। তবে পাহাড়ে দীর্ঘদিনের সংঘাত বন্ধে শান্তিচুক্তি আওয়ামী লীগের বড় সাফল্য হিসাবে দেখছেন নেতারা। চুক্তির অন্য ধারাগুলোও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সাংসদ দীপংকর তালুকদার।
পার্বত্য শান্তিচুক্তির বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে পার্বত্যাঞ্চলে।








