ভূমধ্যসাগর পার হয়ে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করার সময় ২০২৩ সালে এ পর্যন্ত আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। এক বছর আগে এর সংখ্যা ছিল ৬৮০ জন।
ডয়েচ ভেলে জানিয়েছে, ইউএনএইচসিআর নিউইয়র্ক অফিসের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, অভিবাসী ও শরণার্থীরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি নিয়ে চলছেন। এই বছর জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন ২৫০০ অভিবাসী।
জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রায় এক লাখ ৮৬ হাজার মানুষ এরইমধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে এক লাখ ৩০ হাজারই এসেছেন ইটালিতে। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাকি অভিবাসীরা এসেছেন গ্রিস, স্পেন, সাইপ্রাস এবং মাল্টায়।
সবচেয়ে বেশি অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছেন তিউনিশিয়া থেকে। এ সংখ্যা প্রায় এক লাখ দুই হাজার। লিবিয়া থেকে এসেছেন ৪৫ হাজার মানুষ। এর মধ্যে অন্তত ৩১ হাজার মানুষকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বা তিউনিশিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। লিবিয়ার ক্ষেত্রে এর সংখ্যা ১০ হাজার ৬০০ জন।
আফ্রিকার দেশগুলো থেকে লিবিয়া এবং তিউনিশিয়ার উপকূলে আসার এই পথটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন রুটগুলোর একটি।








