মিয়ানমারে পাচারকালে দু’টি ইঞ্জিনচালিত বোটসহ ১ হাজার ৭৫০ বস্তা সিমেন্ট উদ্ধার এবং ২৩ চোরাকারবারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে নৌবাহিনীর টহল চলাকালে কুতুবদিয়া বহিঃনোঙর এলাকা থেকে তাদের আটক করার তথ্যটি জানান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
আইএসপিআর সূত্রে জানা গেছে, একটি পাচারকারী চক্র ইঞ্জিন চালিত বোটের মাধ্যমে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় টহল কার্যে নিয়োজিত থাকাকালীন বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ শহীদ মহিবুল্লাহ কুতুবদিয়া বাতিঘর হতে ৪৬ মাইল অদূরে সন্দেহজনক দুটি কাঠের বোট দেখতে পায়। নৌবাহিনী জাহাজ বোটগুলোকে তল্লাশির লক্ষ্যে থামার সংকেতদিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ মহিবুল্লাহ ধাওয়া করে ‘এফবি আজিজুল হক’ এবং ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামক দুইটি বোট আটক করে। আটক বোটগুলো তল্লাশি করে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট এবং ৩২টি মোবাইল জব্দ করা হয় । এ সময় চোরাকারবারী দলের ২৩ জন সদস্যকেও আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিদের সূত্রে জানা যায়, অধিক মুনাফা লাভের আশায় সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে জব্দকৃত মালামাল ও আটককৃত ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস, মাদক চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে নৌবাহিনীর অভিযান ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।








