সিলেটের সাদাপাথর এলাকায় চলমান উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬ লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে এরমধ্যে ৬ লাখ ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর স্বেচ্ছায় জমা দিয়েছেন স্থানীয় মানুষরা।
মঙ্গলবার ২৬ আগস্ট বিকেলে সাদাপাথর পরিদর্শন শেষে সিলেটের জেলা প্রশাসক সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সাদাপাথরের সৌন্দর্য রক্ষায় প্রশাসনের ব্যাপক অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে ডিসি বলেন, এখন পর্যন্ত ১১ লাখ ঘনফুট পাথর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বাকি অংশ প্রতিস্থাপনে আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এজন্য প্রতিদিন মাঠে কাজ করছে প্রায় ৫০০ শ্রমিক এবং ৩০০ ট্রাক।
যারা নিরীহ তারা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, লুট হওয়া পাথরের প্রায় ৩০ শতাংশ উদ্ধার করা যায়নি এবং ৬০-৭০ শতাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে রিপ্লেসমেন্ট সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রকৃতিকে একেবারে প্রাকৃতিকভাবে পুনঃস্থাপন করা সম্ভব নয়।
গ্রেপ্তারের ব্যাপারে জেলা প্রশাসক সরাসরি কিছু বলেননি। তবে তার ভাষায়, জড়িতদের তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে না, গোপনীয়তার জন্য। তবে যারা প্রকৃতি ধ্বংস করেছে তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। আর নিরীহ কেউ যাতে হয়রানীর শিকার না হয়, সে দিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
দুদকের রিপোর্ট প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। তাদের তদন্ত নিয়ে আমাদের কোনো মন্তব্য নেই।
তিনি আশ্বাস দেন যারা অপরাধ করেছে, তারা বাদ যাবে না। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দুপুরে সাদাপাথর লুটের ঘটনায় কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা আছে কিনা তা খুঁজতে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের গঠিত ৫ সদস্যের উচ্চতর তদন্ত কমিটি সাদাপাথর পরিদর্শন করেন।








