পদ্মা নদীতে বাস ডুবির মর্মান্তিক ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। নিহতদের মরদেহ শনাক্তের পর জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও ঝড়ো পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটলেও শেষ পর্যন্ত ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উদ্ধার হওয়া ২৩ জনের মধ্যে রয়েছেন- রেহেনা আক্তার (৬১), মর্জিনা খাতুন (৫৬), রাজীব বিশ্বাস (২৮), জহুরা অন্তি (২৭), কাজী সাইফ (৩০), মর্জিনা আক্তার (৩২), ইস্রাফিল (৩), সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), ফাইজ শাহানূর (১১), তাজবিদ (৭), বাসচালক আরমান খান (৩১), নাজমিরা ওরফে জেসমিন (৩০), লিমা আক্তার (২৬), জোস্ন্যা (৩৫), মুক্তা খানম (৩৮), নাছিমা (৪০), আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), সোহা আক্তার (১১), আয়েশা সিদ্দিকা (১৩), শিশু আরমান (৭ মাস), আব্দুর রহমান (৬), সাবিত হাসান (৮) এবং আহনাফ তাহমিদ খান (২৫)।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি কমিটি ৩ থেকে ৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। অপরদিকে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের আরেকটি কমিটি ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের দাফনের জন্য প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া হবে।








