নাশকতার চার মামলায় সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আর পেট্রল বোমা ও গাড়ি পোড়ানো মামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজীব আহসানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে নাশকতার আটটি মামলায় শওকত মাহমুদের ৮০ দিন রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। পরে পল্টন থানার তিনটি ও মতিঝিল থানার একটি মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মাহমুদ আদনানের আদালত চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আর বর্তমানে ৩১ দিনের রিমান্ড থাকা অবস্থায় একই আদালত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজীব আহসানের বিভিন্ন মামলায় নতুন করে আরোও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
পেট্রল বোমা হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে পল্টন থানায় করা তিন মামলায় ৩০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শওকত মাহমুদের আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবা রিমান্ড আবেদন নাকচ চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে পল্টন থানার তিনটি মামলায় একদিন করে তিনদিন ও মতিঝিল থানার একটি মামলায় একদিনসহ মোট চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বাকি চারটি মামলা পরে যে কোনো দিন শুনানি করা হবে বলে জানান বিচারক।
এর আগে রমনা থানার একটি মামলায় তিনদিনের রিমান্ড শেষে গত শনিবার শওকত মাহমুদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম ওয়ায়েজ কুরুনী খান।
গত মঙ্গলবার রাজধানীর পান্থপথে থেকে শওকত মাহমুদকে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
অন্যদিকে, রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শাহ আলম বলেন, রাজীব এই তিন মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। কাজেই এই মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে আরও রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
ইতিমধ্যে ৩১ দিনের রিমান্ডে থাকায় রাজীবের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার রিমান্ডের বিরোধিতা করেন।
আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রাজীবকে তিন মামলার প্রত্যেকটিতে এক দিন করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
নাশকতার আরেক মামলায় বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। একই মামলায় আদালতে অনুপস্থিত থাকায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে যুবদল সম্পাদক সাইফুল আলম নীরবসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে।







