ইবাদত হোসেন চোট পেয়েছিলেন গত বছরের জুলাইয়ে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বোলিং করার সময়। আম্পায়ারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে চোট পান বাঁ-হাঁটুর লিগামেন্টে। পরে উঠতে হয়েছে অস্ত্রোপচার টেবিলে, দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিয়ে ছিলেন পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে। ১৬ মাস পর জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) দিয়ে মাঠে ফিরেছেন সিলেট এক্সপ্রেস।
টেস্ট স্পেশালিস্ট পেসার কক্সবাজারে চার দিনের ম্যাচে খেলছেন সিলেট বিভাগের হয়ে। খুলনার বিপক্ষে সোমবারই প্রথম বল হাতে তুলেছেন। নতুন বলে ১১ ওভার বল করেছেন। উইকেটের দেখা অবশ্য এখনো পাননি।
অমিত হাসানের ডাবল সেঞ্চুরি ও আসাদুল্লাহ আল গালিবের সেঞ্চুরি, আর পিনাক ঘোষের ৯৯ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ৪৯৬ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে সিলেট। জবাবে এনামুল হক বিজয়ের ৮৮ রানের ইনিংসে ভর করে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২৩৭ রান তুলেছে খুলনা।

বিসিবির মেডিকেল বিভাগ ছাড়পত্র দেয়ায় ইবাদতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট তালিকায়। ‘সি’ ক্যাটাগরিতে থাকা তারকাকে দলে টেনেছে ফরচুন বরিশাল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন দলটিতে আছেন তামিম ইকবাল, মুশফিকু রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো তারকা ক্রিকেটার।
পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে টি-টুয়েন্টি দলের সঙ্গে ভারতে গিয়েছিলেন ইবাদত। যদিও স্কোয়াডে ছিলেন না। অবশেষে জাতীয় লিগ দিয়ে ফিরলেন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে ইবাদতের লাগবে আরও সময়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট সিরিজে রাখা হয়নি ডানহাতি দ্রুতগতির বোলারকে।







