উন্নতজাতের বারোমাসি ‘হ্যাপি গ্রিন’ জাতের শশা চাষ করে লাভবান হয়েছেন শরীয়তপুরের কৃষক। স্থানীয় কৃষি বিভাগও উচ্চ মূল্যের ফসল আবাদের আওতায় এ জাতের শশা আবাদে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করছে।
দু’বছর আগে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা হয় হ্যাপি গ্রিন জাতের শশার বীজ। এ জাতের বৈশিষ্ট্য লতার গোড়া থেকেই ফলন শুরু হয়। প্রথম বছরই লাভের মুখ দেখে হ্যাপি গ্রিন শশা চাষে আগ্রহি জাজিরা উপজেলার চাষিরা। এ জাতের শশা চাষে নজির গড়েছেন জাজিরা ও শিচরের সীমানাস্থলের ভদ্রাসন গ্রামের চাষি কুদ্দুস মাতবর।
পাইকার বলছেন, হ্যাপি গ্রিন শশার রং ও স্বাদ ভালো হওয়ায় বাজারে দাম পাঁচ/দশ টাকা বেশিই পাওয়া যাচ্ছে। উচ্চ ফলনশীল শশা চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ।
প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে এই শশা বিক্রি হচ্ছে আড়াই লাখ টাকার ওপরে।
বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:








