একাত্তরে সৈয়দপুরের বিভিন্ন গ্রামের যারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ভারতে যেতে চায় তাদের একটি ট্রেনে উঠার জন্য মাইকিং করে পাকিস্তানি সৈন্যরা। এমন মাইকিংয়ের পর ৪ থেকে ৫’শ মানুষ উঠে ওই ট্রেনে। ট্রেনটি পাশের একটি নদীর পাড়ে গেলে তা থামিয়ে প্রতিটি মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিলের ওই বর্বরতম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তখন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ লাঠি, বল্লম, তীর ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করে। যার নেতৃত্বে ছিলো সাঁওতালরা।
মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা হামলা বাড়িয়ে দিলে নিলফামারির সৈয়দপুর, ডোমার, ডিমলা ও তৎকালীন মহুকমা সদরের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে ব্যারাকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী।
উত্তরাঞ্চলে পাকিস্তানি হানাদারদের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি ছিলো নীলফামারির সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট। মুলত এই ক্যান্টমেন্ট থেকে ৬ এবং ৭ নম্বর সেক্টরের বিভিন্ন এলকায় যুদ্ধ পরিচালনা করতো তারা।
ভারত থেকে ট্রেনিং শেষ করে পাকিস্তানি হানাদারদের বিভিন্ন ক্যাম্পে গেরিলা আক্রমন চালাতো মুক্তিবাহিনী। একের পর এক এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয় মুক্তিবাহিনী। মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ভেঙ্গে দিতে বাঙ্গালী নিধনে নামে পাকিস্তানীরা। নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয় বাঙালিদের মরদেহ। কারও মরদেহ ফেলে দেয়া হয় কুপে । সৈয়দপুরের এ ট্র্যাজেডি স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:
https://www.youtube.com/watch?v=Lemv2cbLEbQ&feature=youtu.be








