বার্সেলোনা ছাড়ার সঙ্গে ১০ নম্বর জার্সিটাও ছাড়তে হয়েছে লিওনেল মেসিকে। আর্জেন্টাইন মহাতারকা পিএসজিতে খেলছেন ৩০ নম্বর পরে। সমর্থকরাও হয়ে পড়েছেন অভ্যস্ত। নিসের বিপক্ষে সোমবার রাতে মেসিকে ১০ নম্বর জার্সিতে দেখা ছিল তাই বড় চমকই। প্রশ্নও উঠে গেছে, এলএম১০ রূপে ফিরছেন মেসি?
ব্যাপারটা অবশ্য তেমন নয় মোটেও। ফ্রেঞ্চ কাপের ঐতিহ্যগত কারণে মেসিকে ১০ নম্বর জার্সি দিয়েছিল পিএসজি। ম্যাচে পুরো দলের জার্সি নাম্বারেই ছিল ওলট-পালট, সবার পিঠে লেখা সংখ্যাই ছিল ১ থেকে ১১-এর মধ্যে। খেলা শেষে খোলাসা করা হয়েছে কারণও।
ফরাসি কাপের ম্যাচটিতে নিসের বিপক্ষে টাইব্রেকে হেরে কোয়ার্টারে যাওয়া হয়নি পিএসজির। ৬-৫ ব্যবধানে হারতে হয়েছে।
ম্যাচের দল ঘোষণার সময়ই এসেছিল চমক। টুইটারে মেসিকে দেয়া ১০ নম্বর জার্সির কথা জানায় পিএসজি। যা মূলত ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারকে পরতে দেখা যায় ক্লাবটিতে।
পোস্ট ঘিরে আলোচনা ওঠে, তাহলে কি প্রিয় বন্ধুকে নাম্বার ১০ ছেড়ে দিলেন নেইমার? ফ্রান্সে আসার সময় যখন নেইমার অনুরোধ করেছিলেন মেসিকে, তখনই তো তিনি গ্রহণ না করে ৩০ নম্বর পছন্দ করেছিলেন। তাহলে হঠাৎ কেনো ১০!
নভেম্বর থেকে লিগামেন্টের চোটে মাঠের বাইরে নেইমার। তিনি দলে থাকলে এদিনও হয়ত ১০-ই পরতেন। কিন্তু সোমবার রাতে খেলতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন। এদিকে ফরাসি কাপের ঐতিহ্য অনুযায়ী পিএসজির সকলকে ১ থেকে ১১-এর মধ্যকার সংখ্যা পিঠে ছাপিয়ে নামতে হতো। সুযোগে মেসি পেয়ে যান ১০ নম্বর জার্সি।
চিরচেনা ১০ গায়ে জড়ালেও অবশ্য এদিন চেনারূপে মেলেনি মেসিকে। পুরো ম্যাচে ছিলেন ছন্দহীন। নিজে গোল করতে পারেননি, করাতেও পারেননি। টাইব্রেকের সময় অবশ্য প্রথম শটটি নিয়েছিলেন, গোলও করেছেন। শেষঅবধি সতীর্থরা সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারায় হেরে যেতে হয়েছে নিসের কাছে।
মেসি বার্সায় প্রথম গোলের স্বাদ নিয়েছিলেন ৩০ নম্বর জার্সি পরে। পরে সেখানে কিছু সময় ১৯-ও পরেছেন। ব্রাজিলিয়ান রোনালদিনহোর থেকে ১০ নম্বর জার্সিটা বুঝে পাওয়ার পর সেটা অনন্য উচ্চতায়ই নিয়ে যান মেসি। পিএসজিতে এসে ক্যারিয়ারের শুরুর সেই ৩০ পরছেন। তবে আর্জেন্টিনার হয়ে ১০-এই আছেন মহাতারকা।








