হটডগ ও স্যান্ডউইচ, দুটোই ফাস্টফুড জগতের জনপ্রিয় খাবারগুলোর তালিকার শীর্ষে। রকমে-সকমে এক , দুটো খাবারেই রুটির মাঝে থাকে সসেজ কিংবা মাংস অথবা সবজি। তাহলে দুটোর আলাদা নাম কেনো? নাকি হটডগ আসলে স্যান্ডউইচ?
এসব প্রশ্নের জবাব দিলো আমেরিকার ন্যাশনাল হট ডগ এন্ড সসেজ কাউন্সিল (এনএইচডিএসসি)। স্বকীয় পরিচয় পেলো হটডগ। খবরদার আর স্যান্ডউইচের কাতারে ফেলা যাবে না একে।
যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহজুড়ে চলা বিতর্কের পর অবশেষে স্যান্ডউইচ নয় হটডগ একটি আলাদা খাবার এই রায় দিয়েছে এনএইচডিএসসি। মার্কিন মিডিয়ার কল্যাণে মোড়ল হওয়া এই সংস্থার দেয়া রায়ে বলা হয়, ‘হটডগের বিশেষত্বকে অস্বীকার করে খাবারটিকে স্যান্ডউইচের কাতারে ফেলাটা হবে দালাই লামাকে শুধুই একজন ‘লোক’ হিসেবে দেখার মতো বিষয়’।
তবে হটডগকে ১৮০০ সালের দিকে কোনি আইল্যান্ড স্যান্ডউইচ নামে ডাকা হতো এই বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে এনএইচডিএসসি। কিন্তু দিন বদলে সেই কোনি আইল্যান্ড আজ টম্যাটো সস, মাস্টার্ড সস আর সসেজে আলাদা স্বাদে ফুটপাথ থেকে দামী চেইন শপে পরিচিত হয়েছে হটডগ নামে।






