খুলনার ফুলতলার বসুরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বন্ধ থাকার কারণে দুর্ভোগে পড়ছে ঐ এলাকার শিক্ষার্থীরা। ভাষা আন্দোলনের সময় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ তার অস্তিত্ব নেই।
১৯৫২ সালে এ স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে পড়া প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী বিনয় বিশ্বাস চ্যানেল আইকে বলেন, ‘এ জনপদের মানুষকে শিক্ষিত করতেই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। আর এখন এ গ্রামের শিশুরা যায় পাশের গ্রামে পড়তে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তা হয়ে গেলে প্রচুর বাচ্চা পড়তে আসবে, তারা আর এতো দূর পথ পাড়ি দিয়ে পাশের স্কুলে যেতে চায় না।’
প্রথম ব্যাচের আরেক ছাত্র মানিক রায় মোহন্ত বলেন, ‘এখানকার বাচ্চারা পড়তে যায় পাশের গ্রামে, যা এখান থেকে দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরে। সাঁকো-খাল পার হয়ে সেখানকার স্কুলে যেতে হয়।’
গ্রামে বিদ্যালয় না থাকায় প্রচুর শিশু লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয় এক সাংবাদিক বলেন, এখানকার অনেক বাচ্চা স্কুলে ভর্তিই হয়নি। সংসারের কাজে সাহায্য করে বড় হচ্ছে তারা।
সরকারের প্রতিটি গ্রামে একটি করে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা থাকলেও এ বিদ্যালয়টির কার্যক্রম চালুর কোনো উদ্যোগ নেই। এলাকাবাসী বলছেন, বসুরাবাদ স্কুলটি চালু করা হলে গ্রামের শিশুরা নিজ গ্রামের স্কুলেই পড়তে পারতো।







