অতিরিক্ত সময়ে মারিও মানজুকিচ যখন দুর্দান্ত গোলটি করলেন, জয়ের খুব কাছে চলে যায় ক্রোয়েশিয়া। সেসময় ইংল্যান্ড পোস্টের কাছাকাছিই দাঁড়িয়ে ছিলেন ফটোগ্রাফার ইউরি। গোল দেয়ার পর আনন্দে দিশেহারা মানজুকিচ–রাকিটিচরা ছুটে যান ইউরির দিকেই। একপর্যায়ে ইউরির ওপর পড়েই যান তারা। তবে কোনো আঘাত পাননি তিনি।
ওই পরিস্থিতি নিয়ে ইউরি নারাজও নন। উল্টো পরে উচ্ছ্বাসভরা কণ্ঠে জানিয়েছেন, ‘ক্রোয়েশিয়ার লড়াকু ফুটবল গোটা পৃথিবীর সমীহ আদায় করে নিয়েছে। তারা চ্যাম্পিয়ন হলে আমিও আনন্দ পাবো।’
সংবাদসংস্থা এএফপির হয়ে রাশিয়ায় গেছেন ইউরি কোর্টেজ। তার উপরে ছিল বুধবার রাতের লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়া ও ইংল্যান্ডের সেমির ছবি তোলার দায়িত্ব। ওইসময় একসঙ্গে চার–পাঁচজন ফুটবলারকে তার দিকে তেড়ে আসতে দেখে শুরুতে নাকি খানিকটা ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলেন।
‘ফুটবলাররা আমার দিকে ছুটে আসছেন দেখে আমি তাড়াতাড়ি ক্যামেরার লেন্স বদলানোর চেষ্টা করছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল যদি কাছের থেকে তাদের ভালো ছবি তোলা যায়। কিন্তু তারা আমাকে সে সুযোগই দেননি। আমার এত কাছে এসেও তারা গতি কমাচ্ছেন না দেখে আমি কিছুটা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তারা এসে আনন্দে আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন।’

মদ্রিচ–মানজুকিচদের উৎসবে বড় কোনো আঘাত লাগেনি ইউরির। তবে তিনি মাটিতে পড়ে যান। সেই অবস্থাতেও ছবি তুলতে থাকেন মেক্সিকোর এই ফটোসাংবাদিক।
ইউরির ভাষ্য, তখন একটাই চিন্তা মাথায় ঘুরছিল। ভাবছিলাম, ক্যামেরার কোনো ক্ষতি হবে না তো। তাদের এই উল্লাস আমি খুবই উপভোগ করেছি। কারণ আমিও তাদের খেলার খুবই ভক্ত।







