সুখী দাম্পত্যজীবন সবার প্রত্যাশিত থাকে। কেউ সেটা পেতে পারে, আবার কারো ক্ষেত্রে সেটা ঘটে না। সুখটা চিরন্তন না হলেও চর্চার মাধ্যমে একে গড়ে তোলা অথবা দীর্ঘদিন ধরে রাখা সম্ভব। এক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ অনুসরণ করা যেতে পারে-
১. নিজের ভালো-মন্দ ছোট ছোট অনুভূতিগুলো পার্টনারের সাথে শেয়ার করুন। হোক না অনুভূতিগুলো ছোট তাতে কি! একে অন্যের অনুভূতিগুলোকে মূল্য দিন।
২. কোথাও যাওয়ার সময় সম্তব হলে এক সাথে বের হবেন। পোশাক পরিচ্ছদের দিকে মনোযোগী হোন। পারলে দুজনে একটু ম্যাচিং করে পরবার চেষ্টা করুন।

৩. বাইরে ঘুরতে গেলে পার্টনারের পছন্দের খাবার অর্ডার দিন। খাবার খাওয়ার সময় তা শেয়ার করে খান। কারণ খাবার শেয়ারের সাথে সাথে আপনার দৈনন্দিন আরও অনেক কিছু শেয়ারের প্রবণতা বাড়াবে।
৪. একে অন্যেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না। কেউ কেউ মনে করেন, আমার পার্টনার আমার মতো করে চলবে। এটা ঠিক নয়। যার যার নিজস্বতা ঠিক রেখে এগিয়ে চলতে চেষ্টা করুন।
৫. মাঝে মাঝে নিজেদের সুখের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করুন। খারাপ থাকা সময়ে এই স্মৃতিগুলোই আপনাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাবে।
৬. পার্টনারকে নিয়ে আপনার উপলব্ধি বা অনুভূতিগুলো তুলে ধরুন। বিজ্ঞান বলে, সুখী কাপলরা দিনে অন্তত ২০টি ভালো লাগার মুহূর্ত উপভোগ করে। আর বছর শেষে এর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
৭. দিনের যে কোনো সময়ে পার্টনারের সাথে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আর এই সময় সুখকর এবং প্রয়োজনীয় অনেক কথা সেরে নিতে পারেন। বাইরের নির্মল পরিবেশ অনেক বিষয়কে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করবে।
৮. পার্টনারের কাছে থেকে কোনো গিফট পেলে তা নিয়ে আপনার উচ্ছ্বলতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলুন। এর ফলে সে অনেক আনন্দ পাবে এবং পরবর্তীতে আরও গিফট দেওয়ার আগ্রহ দেখাবে। পার্টনারকে মাঝে মাঝে গিফট দেওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
সর্বোপরি একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা এবং পার্টনারকে মূল্য দেওয়ার মাধ্যমে দাম্পত্যজীবনকে অনেকখানি সুখময় করে তোলা যায়।








