ঘরের এক কোনে মাঝারি আকারের ক্রিসমাস ট্রি, তাতে নানা রংয়ের মরিচ বাতি আর রাতের খাবার টেবিলে রেখেছে লাল, নীল, সবুজ রঙা ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের কেক। এসব আয়োজনের পরেও বড়দিনের প্রধান আকর্ষণ সান্তা ক্লস। এবারের বড়দিনে সান্টাকে দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন নানারূপে।
লাল কোট প্যান্ট পরা বুড়ো মানুষটা সব বাচ্চাদেরই পছন্দের। কলার আর হাতায় তুষারশুভ্র তুলো। পায়ে সাদা বর্ডার দেওয়া লাল রঙয়ের বুট জুতো। মুখে সাদা দাড়ি। আর পিঠে বিশাল এক থলে। যার ভেতরে নানা রকম খেলনা। শিশুদের জন্য তিনি উপহার নিয়ে আসেন ক্রিসমাসের রাতে। মানে ২৪ ডিসেম্বরের গভীর রাতে। যাকে বলা হয় ক্রিসমাস ইভ। ২৫ ডিসেম্বর ভোরবেলা দেখা যায় ক্রিসমাস ট্রির নিচে তিনি রেখে গেছেন মজার সব উপহার।
সারা বিশ্বের ‘সান্তা ক্লস’কে দেখা গেছে নানা বর্ণিলরূপে।

জার্মানির বার্লিনে স্কাইলাইনের সামনে ‘কলহফ’ উঁচু ভবন থেকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা দিচ্ছে ‘সান্তা ক্লস’। ডিসেম্বরের ১৭ তারিখে এমন ভাবে সেজেই সবাইকে চমক দিচ্ছেন ‘সান্তা ক্লস’।

শুধু উঁচু ভবন থেকেই নয়, সাউথ কোরিয়ার সিউলে সান্তা ক্লসকে দেখা গেছে জলের মধ্যে সাঁতার কাটা অবস্থায় , বাচ্চারাও খুব অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ভাসমান সান্তা ক্লসের দিকে। ১০ ডিসেম্বর সিউলের সিওইক্স অ্যাকরিয়াম থেকে ভাসমান সান্তা ক্লস।

কেনিয়ার নাইরোবি’তে সান্তা ক্লস দেখতে একটু নাদুসনুদুস। কেনিয়ার ইনফরমেশন অ্যান্ড কালচারাল অনুষ্ঠানে ৯ ডিসেম্বরে দেখা গেছে এই সান্তা ক্লসকে।

ভেনিজুয়েলার সান্তা ক্লস গাড়িতে করেই তার শুভেচ্ছা দিচ্ছে বাচ্চাদের। ১৬ ডিসেম্বর রাতের নিয়ন আলোতে গাড়ির জানালায় বসে ঘুরে বেড়াচ্ছে সান্তা ক্লস।

ফ্রান্সের নাইস শহরে পানির মধ্যে একদম নেমে এসেছে সান্তা ক্লস। শুধু তিনি একা নন নারী সান্তা ক্লস রুপে দেখা যাচ্ছে তারই এক ভক্তকে।

সুইজারল্যান্ডের সান্তা ক্লসকে দেখে মনে হবে সত্যিই সত্যিই তুষারশুভ্র সান্তা ক্লস হাজির। চোখে কালো চাশমা আর হাতের কালো গ্ল্যাপস দুই জায়গায় টাঙিয়ে বরফের ওপর খুব আয়েশ করে বসে আছে সান্তা ক্লস।

ইতালির ভেনিস শহরে নৌকা বাইচ নিয়েই হাজির হয়েছে অসংখ্য সান্তা ক্লস।








