বিসিএলের তৃতীয় রাউন্ডে ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়া সাঞ্জামুল ইসলাম পঞ্চম রাউন্ডে তুলেছেন পাঁচ উইকেট। উত্তরাঞ্চলের এ বাঁহাতি স্পিনারের ঘূর্ণি জাদুতে ১৮১ রানে থেমে গেছে মধ্যাঞ্চলের প্রথম ইনিংস। জবাব দিতে নেমে স্বস্তিতে নেই উত্তরাঞ্চলের ব্যাটসম্যানরাও। তারা ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান তোলার পর শেষ হয় প্রথম দিনের খেলা।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো সূচনা পায় মধ্যাঞ্চল। দুই উইকেট হারিয়ে ১০০ পেরিয়ে যায় তারা। ওপেনার সাইফ হাসান দলকে টানতে থাকেন। সাইফের সঙ্গী মার্শাল আইয়ুব (৯) বিদায় নেন দলীয় ১১৯ রানে। ৬ রান যোগ হতেই সাজঘরে ফেরেন নুরুল হাসান (৬)। ১২৫ রানে ৪ উইকেট হারালে ব্যাকফুটে চলে যায় মধ্যাঞ্চল। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি তারা।
বল হাতে সাঞ্জামুল জ্বলে উঠলে ধ্বংসস্তূপে পড়ে দলটি। ৬৩ রানের ইনিংসে খেলা সাইফকে বোল্ড করে শুরু করেন সাঞ্জামুল। একে একে সাজঘরে পাঠান তানবীর হায়দার, শরিফউল্লাহ, মোহাম্মদ শরীফ ও শাহাদাত হোসেনকে।
২৪.৫ ওভার বল করে ৪৫ রানে সাঞ্জামুল নেন পাঁচ উইকেট। তিনটি উইকেট নিয়েছে ফরহাদ রেজা। নাঈম ইসলাম ও আলাউদ্দিন বাবু নেন একটি করে উইকেট।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অপর ম্যাচে ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরি ও এনামুল হক বিজয়ের ফিফটিতে পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২৯৬ রান করেছে দক্ষিণাঞ্চল। জবাবে ৮ ওভার ব্যাট করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪ রান তুলেছে পূর্বাঞ্চল। ইমতিয়াজ হোসেন ৪ ও আফিফ হোসেন শূন্য রানে অপরাজিত থেকে প্রথম দিন শেষ করেছেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ১২ রানের মাথায় ফজলে মাহমুদের উইকেট হারায় দক্ষিণাঞ্চল। তিনে নেমে ওপেনার বিজয়ের সঙ্গে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন ইমরুল। ৫৮ রান করে বিজয় আউট হলে ভাঙে ৮৪ রানের জুটি। ইমরুল অবশ্য চালিয়ে যান তার ব্যাটিং প্রদর্শনী। ১৩৬ রান করে আউট হন দলের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে। ২১০ বলে ১৮টি চার ও দুটি ছক্কায় সাজান ইনিংসটি।
মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও সাকলাইন সজীব নেন তিনটি করে উইকেট। নাঈম হাসান, আফিফ হোসেন, রাহাতুল ফেরদৌস ও অলক কাপালি নেন একটি করে উইকেট।








